আট দিনের রাষ্ট্রীয় শোক শেষে শনিবার রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথের স্বামী প্রিন্স ফিলিপকে চির বিদায় জানাবে ব্রিটেন।
আনুষ্ঠানিকতা শেষে সেন্ট জর্জেস চ্যাপেলে সমাহিত করা হবে ডিউক অব এডিনবরাকে। শেষকৃত্যে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে উড়ে এসেছেন প্রিন্স হ্যারি।
বাংলাদেশের স্বাধীনতার আগে ও পরে মোট দুইবার রাজকীয় সফরের কারণে বাংলাদেশের সাথেও রয়েছে প্রিন্স ফিলিপের ঐতিহাসিক স্মৃতি।
প্রিন্স ফিলিপকে শেষ বিদায় জানাতে উইন্ডসর ক্যাসেল ও সেন্ট জর্জ চ্যাপেলের সামনে সামরিক বাহিনীর সদস্যদের দিনভর মহড়ায় অংশ নিতে দেখা গেছে।
বাংলাদেশের সাথে ব্রিটেনের নিবিড় সম্পর্কের কারণেই প্রিন্স ফিলিপের মৃত্যু নাড়া দিয়েছে ব্রিটেন ও বাংলাদেশে থাকা কোটি মানুষের হৃদয়।
উইন্ডসর ক্যাসেলে প্রিন্স ফিলিপের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে প্রতিদিনই আসছেন হাজারো মানুষ। ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন তারা।
ডিউক অব এডিনবরা স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৮৩ সালে শেষবার সফর করেছিলেন। তবে রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথের সাথে ১৯৬১ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের ঢাকা ও চট্রগ্রাম সফর করেছিলেন প্রিন্স ফিলিপ।
সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালে ৮ জানুয়ারী পাকিস্তানের কারাগার থেকে বাংলাদেশে ফেরার আগে ব্রিটেনের রানীর সাথে সৌজন্য সাক্ষাতের সময়ও প্রিন্স ফিলিপের সাথে দেখা হয়েছিলো বঙ্গবন্ধুর।
ব্রিটেনের সাথে বাংলাদেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কারণে রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথের রাজ্যাভিষেকের ২৫ বছর পূর্তিতে স্মারক ডাক টিকেট ছেপেছিলো বাংলাদেশ। সেই টিকেটে রানীর সাথে ডিউক অব এডিনবরার ছবিও সমান গুরুত্ব পেয়েছিলো।
শেষ বিদায় অনুষ্ঠানে শুধুমাত্র রাজ পরিবারের ৩০ জন অতিথি অংশ নেবেন। সেই তালিকায় ঠাঁই হয়নি খোদ ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনেরও।