টানা ষষ্ঠবারের মতো জাপানে জন্মহার কমেছে। আগের বছরের চেয়ে ২০২১ সালে জন্মহার কমেছে সাড়ে তিন শতাংশ। ১৮৯৯ সালের পর দেশটিতে এটাই সর্বনিম্ন জন্মহার।
দেশটির স্বাস্থ্য, শ্রম এবং কল্যাণ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত বছর দেশটিতে আট লাখ ১১ হাজার ৬০৪ শিশুর জন্ম হয়েছে।
২০২০ সালে জন্মায় আট লাখ ৪০ হাজার ৮৩২ শিশু। ১৮৯৯ সাল থেকে শিশু জন্মের হিসাব রাখছে টোকিও। গত বছর ১২৩ বছরের ইতিহাসে সর্বনিম্ন রেকর্ড হয়েছে।
১৯৭৫ সালে জাপানে একজন নারীর জীবদ্দশায় গড়ে সন্তান জন্ম দেয়ার হার দুইয়ের নিচে নেমে যায়। তারপর থেকে নারীদের সন্তান জন্ম দেয়ার হার কমছেই।
২০০৫ সালে নারীদের সন্তান জন্ম দেয়ার হার দাঁড়ায় এক দশমিক ২৬। ২০১৫ সাল পর্যন্ত এ হার কিছু বেড়ে এক দশমিক ৪৫ এ দাঁড়ায়। এরপর থেকে আবারো কমতে শুরু করে শিশু জন্মহার।
পৃথিবীর সবচেয়ে প্রবীণ জনগোষ্ঠীর সংখ্যা জাপানেই বেশি। সেই হিসেবে দেশটিতে প্রজন্মগত ব্যবধান বাড়ছে। গত বছর জাপানে বিয়ের হারও কমেছে।
২০২১ সালে দেশটিতে পাঁচ লাখ এক হাজার ১১৬টি বিয়ে হয়েছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর দেশটিতে এটাই সবচেয়ে কম বিয়ের সংখ্যা।
দ্রুত বুড়িয়ে যাওয়া দেশগুলোর মধ্যে জাপান অন্যতম। তাই তারুণ্য সঙ্কট দেশটির জন্য বড় দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে দেশটির অর্থনীতিতে।
একাত্তর/এসজে