বিশ্বে করোনা সংক্রমনে একের পর এক রেকর্ড ভাঙ্গছে ভারত। সব রেকর্ড ছাপিয়ে দেশটিতে একদিনে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৪ লাখ ১ হাজার ৯৯৩ জন। মারা গেছে সাড়ে তিন হাজার।
ভারতের সংক্রমণ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩-৫ মে দেশটিতে করোনার গ্রাস সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে।
এই মুহূর্তে দেশটিতে সক্রিয় রোগী ৩২ লাখ ৬৮ হাজারের বেশি। এই পরিস্থিতিতে, হাসপাতালে শয্যার পাশাপাশি অক্সিজেনের অভাব এখনো চরমে রয়েছে।
পশ্চিমবঙ্গে শুক্রবার সন্ধ্যা থেকেই অনির্দিষ্টকালের জন্য সব সিনেমা হল, শপিং মল, বিউটি পার্লার, রেস্তরাঁসহ খেলাধূলার সব কার্যক্রম বন্ধ করা হয়েছে।
করোনা মোকাবেলায় মধ্যপ্রদেশে কারফিউয়ের মেয়াদ সাত মে পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। রাজ্যের রাজধানীসহ বিভিন্ন শহরে কঠোর নজরদারিতে রয়েছে পুলিশ।
কেরালাতে শনিবার থেকে শুরু হয়েছে সপ্তাহব্যাপি লকডাউন। জনশূন্য রাস্তা। বন্ধ রয়েছে দোকানপাট। শুধুমাত্র শনি ও রবিবারে সীমিত চলাচলের অনুমতি রয়েছে।
এ সবের মধ্যেই, শনিবার থেকে ভারতজুড়ে তৃতীয় পর্যায়ে ১৮ বছরের বেশি বয়সিদের টিকা দেয়া শুরু হয়েছে।
তবে, কেন্দ্রের ঘোষণার পরেও টিকার অপর্যাপ্ততার কারণে একাধিক রাজ্য এই কার্যক্রম শুরু করতে পারছে না।
জানা গেছে, রাজধানী দিল্লিসহ পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা, উত্তরাখণ্ড, অন্ধ্রপ্রদেশ ও পাঞ্জাবে টিকদানে দেরি হবে। সংকট মোকাবেলায় দেশের বাইরে টিকা তৈরির পরিকল্পনা করছে সেরাম ইনিস্টিটিউট।