মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ধর্মীয় ভাব-গাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পালিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আযহা। আরব আমিরাত, ইরান-ইরাক, মিশরসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে ঈদ হচ্ছে। আবার ঈদ উদযাপিত হচ্ছে ইউরোপ ও আমেরিকাতেও।
ফজরের নামাজ আদায়ের পরপরই দল বেঁধে ঈদের জামাতে অংশ নিতে ঈদগাহ ময়দানের উদ্দেশে রওনা হন সৌদির ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা।
মক্কার কাবা শরীফ, মদিনার মসজিদে নববী ছাড়াও বিভিন্ন অঞ্চলের অসংখ্য মসজিদে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এরপর পশু কোরবানিতে ব্যস্ত সময় পার করেন তারা।
শনিবার (৯ জুলাই) সকালে মিনায় ফিরে মুসল্লিরা প্রতীকী শয়তানকে লক্ষ্য করে পাথর ছুঁড়েন। এরপর তারা কোরবানি দিয়ে ইহরাম ত্যাগ। কাবায় বিদায়ী তাওয়াফের মধ্যে শেষ হবে হজের আনুষ্ঠানিকতা।
সৌদির বাদশাহ সালমান এবং যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ঈদুল আযহা উপলক্ষে মুসলিম দেশগুলোর নেতাদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন বার্তা পাঠিয়েছেন।
মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাতেও যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হচ্ছে ঈদ। স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঈদের জামাতে নামাজ আদায়ের পর পশু কোরবানিতে ব্যস্ত হয়ে ওঠেন মুসল্লিরা।
সৌদি আরবের সঙ্গে মিলিয়ে কুয়েতেও যথাযোগ্য মর্যাদায় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পবিত্র ঈদুল আযহা উদযাপিত হয়েছে। আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভে পশু কোরবানি করেন বিভিন্ন প্রান্তের মুসলিমরা।
কুয়েতের ধর্ম মন্ত্রণালয়ের হতে নির্ধারিত ৪৬টি ঈদগাহ ছাড়াও সরকার অনুমোদিত ২০টির বেশি মসজিদে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ ফিলিস্তিনেও খুশির বার্তা বয়ে এনেছে ঈদুল আযহা। আল-আকসা মসজিদে পশ্চিম তীরের মুসল্লিরা আদায় করেন ঈদের নামাজ। অংশ নেন হাজারো ফিলিস্তিনি।
ঈদুল আযহা উদযাপিত হয়েছে সিরিয়াতেও। দেশটির হোমস শহরে খালিদ বিন ওয়ালিদ জামে মসজিদে ঈদের নামাজ আদায় করেছেন প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদ।
আরও পড়ুন: মাকে দেউলিয়া করা ধর্মীয় গোষ্ঠীকে সমর্থনের দায়ে আবেকে গুলি
গেল বছর মরক্কো, ওমান এবং তিউনিশিয়ার মতো মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলো করোনার কারণে ঈদের জামাত বাতিল করা হয়েছিলো। তবে এবার সেসব দেশেও ঈদ উদযাপন হচ্ছে।
মধ্যপ্রাচ্য ছাড়াও একই সাথে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইউরোপ ও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশেও শনিবার পালিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আযহা।