শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া ও ফার্স্ট লেডি লোমা রাজাপাকসেকে
মালদ্বীপে উড়ে যেতে সহায়তা দেয়ার কথা স্বীকার করেছে দেশটির বিমান বাহিনী।
বুধবার দেশটির বিমান বাহিনী এক বিবৃতিতে একথা জানিয়েছে। এতে বলা হয় গোতাবায়া, তার স্ত্রী ও দুজন দেহরক্ষীর দেশ ছাড়ার জন্য তারা তাদের উড়োজাহাজ ব্যবহার করতে দিয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ক্ষমতাসীন সরকারের অনুরোধ এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রনালয়ের যথাযথ অনুমোদনের পরই বিমান বাহিনী তাদের উড়োজাহাজ ব্যবহার করতে দিয়েছে।
বিমান বাহিনীর বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ইমিগ্রেশন ও কাস্টমসের সব ধরনের আইন মেনেই প্রেসিডেন্ট গোতাবায়াকে উড়োজাহাজ ব্যবহারের অনুমতি দেয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, বুধবার ভোর রাতে বিমান বাহিনীর বিশেষ বিমানে গোতাবায়া প্রতিবেশী মালদ্বীপের পালিয়ে যান। তিনি স্থানীয় সময় ভোর রাত তিনটায় রাজধানী মালেতে অবতরণ করেন।
শ্রীলঙ্কার এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, লঙ্কান বিমান বাহিনীর আন্তোনভ-৩২ বিমানে প্রেসিডেন্ট তার স্ত্রী ও দুজন দেহরক্ষীকে নিয়ে দেশ ছেড়েছেন।
এই প্রক্রিয়ার সাথে জড়িত এক অভিবাসন কর্মকর্তা বলেন, তাদের পাসপোর্টগুলোতে স্ট্যাম্প দেয়া হয়েছে। তারা বিমানবাহিনীর বিশেষ বিমানে করে পাড়ি দিয়েছেন।
আরও পড়ুন: লঙ্কান প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ঢুকে পড়েছে বিক্ষোভকারীরা
গণবিক্ষোভের মুখে গেলো শনিবারই গোতাবায়া স্পিকারের কাছে জানান, তিনি বুধবার পদত্যাগ করবেন। তবে এর আগে নিরাপদে দেশ ছাড়ার ব্যবস্থা করে দেয়ার দাবি জানান গোতাবায়া।
বিরোধীরা তার এই দাবি মানতে রাজি হননি। এরই মধ্যে মঙ্গলবার দিনগত রাতে সস্ত্রীক দেশ ছাড়লেন ৭৩ বছর বয়সী গোতাবায়া।
এর মাধ্যমে রাজাপাকসে পরিবারের দীর্ঘদিনের শাসনের অবসান হলো বলে ধারণা করা হচ্ছে। দেশটির ভয়াবহ অর্থনৈতিক জটিলতার জন্য এই পরিবারকেই দায়ী করা হয়।
একাত্তর/আরিএস