মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে এক-চীন নীতি মেনে চলার আহবান জানিয়েছে চীন। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ওয়াং ওয়েন পিন বেইজিংয়ে বুধবার এক নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে এ আহবান জানান।
বুধবার চীন-মার্কিন ‘সতেরো আগস্ট ইস্তাহার’ প্রকাশের ৪০তম বার্ষিকী উল্লেখ করে ওয়াং ওয়েন পিন বলেন, ‘সতেরো আগস্ট ইস্তাহার’, ‘শাংহাই ইস্তাহার’ ও ‘কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা বিষয়ক ইস্তাহার’ হচ্ছে চীন-মার্কিন সম্পর্কের রাজনৈতিক ভিত্তি। এবং এসবের মৌলিক ভিত্তি হচ্ছে এক-চীন নীতি।
ওয়াং আরও বলেন, এক-চীন নীতি হচ্ছে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের আদানপ্রদান পুনরুদ্ধার ও সম্পর্ক উন্নয়নের রাজনৈতিক ভিত্তি। যুক্তরাষ্ট্র নিজের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে আসছে এবং এক-চীন নীতি থেকে ক্রমশ দূরে সরে যাচ্ছে। তা অবশ্যই দু’দেশের আস্থাকে গুরুতরভাবে নষ্ট করবে।
চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক এখন একটি মৌলিক স্থানে রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এক-চীন নীতি নষ্ট করার কার্যক্রম হচ্ছে ঝুঁকিপূর্ণ ও দায়িত্বজ্ঞানহীন।
যুক্তরাষ্ট্র ইতিহাস থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে আবারও চীন-মার্কিন তিনটি ইস্তাহারে ফিরে আসতে পারবে এবং এক-চীন নীতি মেনে চলবে এমনটাই আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
তাইওয়ানকে ঘিরে সামরিক মহড়ায় চীন
এর আগে মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির তাইওয়ান সফরের পর ওই অঞ্চলে এ যাবৎকালের সবচেয়ে বড় সামরিক মহড়া শুরু করে চীন।
তবে চীনের সব হুমকি উপেক্ষা করেই বিশ্ব নেতাদের আমন্ত্রণ জানানো অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছে তাইওয়ান।
তাইওয়ান সফরে মার্কিন হাউসের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি
মহড়া চলাকালে চীনের একাধিক যুদ্ধজাহাজ ও বিমান তাইপের আকাশসীমা লঙ্ঘন করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া, যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সামরিক সহযোগিতাও স্থগিত করেছে চীন।
উল্লেখ্য, এক-চীন নীতি বলতে, তাইওয়ানকে কোনো আলাদা রাষ্ট্র হিসবে নয় বরং দ্বীপটিকে চীনের অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। যদিও এই নীতি অস্বীকার করে আসছে যুক্তরাষ্ট্র।
একাত্তর/আরবিএস