করোনা প্রতিরোধে
টিকা আসার পরও, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ ও অঞ্চলে ভাইরাসটির দ্বিতীয় ও তৃতীয় ঢেউকে আটকানো
যায়নি। এরমধ্যে কোথাও কোথাও দেখা দিয়েছে তৃতীয় ও চতুর্থ ঢেউয়ের চোখ রাঙানি। এই পরিস্থিতিতে
করোনাকে প্রতিরোধে আরো কার্যকরি উপায় খুঁজতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন চিকিৎসা বিজ্ঞানী ও গবেষকররা।
বেশিরভাগ জনগোষ্ঠিকে টিকাকরণ করা একদিকে যেমন সময়সাপেক্ষ ব্যাপার, অন্যদিকে অনেক বড় খরচেও বিষয়। ফলে এখনই বিকল্প খুঁজে বের করতে দিনরাত এক করেছেন বিজ্ঞানীরা। এরমধ্যে সবচেয়ে এগিয়ে আছে ‘এন্টিবডি নেজাল স্প্রে’।
‘হাইব্রিড অ্যান্টিবডি’ দিয়ে তৈরি এক বিশেষ ধরনের নাকে দেওয়ার প্রতিষেধক নিয়ে পরীক্ষা চালাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। সম্প্রতি এনিয়ে একটি প্রতিকেদন প্রকাশিত হয়েছে ‘নেচার’ পত্রিকায়।
সেই প্রতিবেদন অনুযায়ী, করোনা ভাইরাসের সংস্পর্শে আসার ছ’ঘণ্টা আগে এবং ছ’ঘণ্টা পরে এই স্প্রে প্রয়োগ করা হয় ইঁদুরদের উপরে। দেখা যায় সংক্রমিত হওয়ার দু’দিনের মাথায় ওই ইঁদুরদের শ্বাসযন্ত্রে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের মাত্রা অনেকটাই নামিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে অ্যান্টিবডি স্প্রেটির বিশেষ ফর্মুলা।
চারিত্রিক বৈশিষ্ট অনুযায়ী আলাদা আলাদা উপাদান দিয়ে সম্পূর্ণ ভাবে গবেষণাগারে তৈরি এই ‘হাইব্রিড অ্যান্টিবডি’ করোনার কমপক্ষে ২০টি ধরনের ক্ষেত্রে কার্যকর বলে প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। তবে এটি মানবদেহে ট্রায়ালে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আরও বিস্তারিত পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাতে হবে বলে মত দিয়েছেনবিজ্ঞানীরা।
একাত্তর/এআর