সুরক্ষামূলক জামিনের জন্য উচ্চ আদালতে যাবেন ইমরান

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান তার বিরুদ্ধে একাধিক গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করার পর সুরক্ষামূলক জামিনের জন্য লাহোরের উচ্চ আদালতে যাবেন। এসময় তার কাফেলার সাথে আদালতে যাবেন শত শত সমর্থক।

স্থানীয় সময় শুক্রবার (১৭ মার্চ) বিকেল ৩টা পর্যন্ত শহরে তার জামান পার্কের বাসভবনের আশেপাশে পুলিশের তৎপরতার উপর নিষেধাজ্ঞা বর্ধিত করার পরই খানের লাহোর হাইকোর্টে যাওয়ার সিদ্ধান্ত আসে।

আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, খানের আবেদনের শুনানির জন্য লাহোর হাইকোর্টে দুই সদস্যের বেঞ্চ গঠন করা হয়েছে।

লাহোরে ইমরান খানের আইনজীবী দলের অংশ আজহার সিদ্দিক বার্তাসংস্থা আলজাজিরা খানকে জানিয়েছেন, লাহোর এবং রাজধানী ইসলামাবাদে তার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলোর বিরুদ্ধে সুরক্ষামূলক জামিন চাইবেন খান। 

তিনি বলেন, অন্য শহরে দায়ের করা মামলায় উচ্চ আদালত থেকে জামিন চাওয়া নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার।

পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) দলের রাজনীতিবিদ মুসাররাত চিমা আলজাজিরাকে জানান, পার্টি প্রধান শীঘ্রই লাহোরের জামান পার্ক এলাকায় তার বাসভবন ত্যাগ করবেন।

আলজাজিরা জানায়, ইমরান খানের বিরুদ্ধে লাহোরে চারটি নতুন মামলা দায়ের করা হয়েছে। এবং এটি তার সমর্থকরা তাকে গ্রেপ্তার করতে এসে পুলিশের প্রতি যে প্রতিরোধ দেখিয়েছিল তার সাথে সম্পর্কিত। 

এই সপ্তাহের শুরুর দিকে, দুর্নীতির মামলায় ইমরান খানকে গ্রেপ্তার করতে গেলে লাহোরে তার সমর্থকদের সাথে নিরাপত্তা বাহিনীর সহিংস সংঘর্ষ ঘটে। 

খানের বিরুদ্ধে ২০১৮ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন তাকে দেওয়া রাষ্ট্রীয় উপহার বিক্রি করার অভিযোগ রয়েছে। ৭০ বছর বয়সী এই রাজনীতিবিদ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

এদিকে, খানের শত শত সমর্থক লাঠিসোঁটা ও লোহার রড নিয়ে সশস্ত্র হয়ে তার বাড়িতে ব্যারিকেড চালিয়ে যাওয়ায় আশেপাশে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

আরও পড়ুন: ইউক্রেনে গণহত্যার প্রমাণ পায়নি জাতিসংঘের তদন্ত কমিশন

খানের সহযোগী চৌধুরী বলেছেন, পিটিআই শুক্রবার ইসলামাবাদ হাইকোর্টে রাষ্ট্রীয় উপহারের মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা স্থগিত করার জন্য একটি আবেদন করেছে। রাজধানীর একটি নিম্ন আদালত দলের দ্বারা করা অনুরূপ অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করার একদিন পরে পিটিআই পিটিশনটি করে। 

পিটিআই নেতা চিমা বলেছেন, খান ‘আদালতে হাজির হতে কখনই পিছপা হননি এবং এটি শুধুমাত্র নিরাপত্তার উদ্বেগের কারণে হয়েছে’।


একাত্তর/এসজে