সিকিমে তুষারধসে সাত পর্যটকের মৃত্যু, বহু হতাহতের শঙ্কা

ভারতের সিকিমের নাথু লায় ভয়াবহ তুষারধসের ঘটনা ঘটেছে। এতে কমপক্ষে সাত পর্যটকের মৃত্যু হয়েছে। সেখানে বহু পর্যটক আটকা পড়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। 

মঙ্গলবার (৪ এপ্রিল) সেনা সূত্রের বরাতে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে দ্যা ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস ও আনন্দবাজার।

কর্তৃপক্ষ জানায়, এদিন সকাল ১১টা ১০ মিনিট নাগাদ গ্যাংটক থেকে নাথু লা যাওয়ার পথে ১৫ মাইলে হঠাৎই তুষারধস নেমে আসে। সে সময় একাধিক গাড়ি বিপর্যয়ের কবলে পড়ে। ২০ থেকে ৩০ জন পর্যটক তুষারধসে নিচে চাপা পড়েন। এদের মধ্যে সাত জন পর্যটকের মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে। বহু পর্যটককে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। তাদের সেনার বেস ক্যাম্পে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে। 

এক বিবৃতিতে সেনাবাহিনী জানিয়েছে, মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। উদ্ধারকাজে নেমেছে সিকিম পুলিশ, সিকিমের ট্র্যাভেল অ্যাসোসিয়েশন, পর্যটন দফতরও। 

এদিকে নাথু লা অঞ্চলের এক প্রান্তে ৩৫০ ও অন্য প্রান্তে ৪৫০ জনের মতো পর্যটক আটকা পড়েছেন বলে প্রশাসন সূত্রের খবর। 

গ্যাংটক পুলিশ জানিয়েছে, ১৩ মাইল পর্যন্ত যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল পর্যটকদের। কিন্তু তারা সে নির্দেশ উপেক্ষা করে ১৫ মাইল পর্যন্ত এগিয়ে যান। এরপরেই তুষারধসের কবলে পড়েন তারা।

আরও পড়ুন: বঙ্গবাজার ঝুঁকিপূর্ণ, নোটিশ দেওয়া হয়েছিল ১০ বার

উল্লেখ্য, নাথু লা ভারতের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন অঞ্চল। অন্যদিকে নাথু লা দিয়ে চীন এবং ভারতের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য চলে। প্রাচীন সিল্ক রুটের অন্তর্গত ছিল এই অঞ্চল। ২০০৬ সাল থেকে নাথু লা ধরে ভারত এবং চীনের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য হয়ে আসছে। ২০১১ সালে সিকিমে ভূমিকম্প হওয়ার পর এবং ২০১৭ সালে ডোকলাম বিতর্কের সময় নাথু লা দিয়ে দুই দেশের আমদানি-রপ্তানি বন্ধ ছিল।


একাত্তর/আরবিএস