তাড়া খেয়ে অল্পের জন্য বেঁচে গেলেন প্রিন্স হ্যারি ও মেগান

২৬ বছর আগে প্যারিসের রাস্তায় পাপারাজ্জির তাড়া খেয়ে গাড়ি দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান ব্রিটিশ রাজবধূ প্রিন্সেস ডায়না। এবার প্রায় একই ধরণের পরিস্থিতিতে পড়েছেন তার ছোট ছেলে প্রিন্স হ্যারি ও তার স্ত্রী মেগান মার্কেল। 

মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে একটি পুরষ্কার অনুষ্ঠানে যোগ দেয়ার পর তাড়া খেয়ে অল্পের জন্য দুর্ঘটনার হাত থেকে বেঁচে গেছে ডিউক ও ডাচেস অব সাসেক্সের গাড়ি। এসময় তাদের সঙ্গে ছিলেন ডাচেসের মা ডোরিয়া রাগল্যান্ড।

এক বিবৃতিতে যুবরাজের মুখপাত্র বলেছেন, এই ‘নিরলস অনুসরণ’ দুই ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চলেছিল। এতে রাস্তার অন্যান্য চালক, পথচারী এবং পুলিশ অফিসারদের সাথে সংঘর্ষ ঘটার উপক্রম হয়। 

নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগ (এনওয়াইপিডি) তাৎক্ষণিক এ ঘটনার কথা নিশ্চিত করেনি।

বিবৃতিতে বলা হয়, যদিও একজন বিখ্যাত ব্যক্তির প্রতি জনসাধারণের আগ্রহ থাকা উচিৎ, এতে কখনোই তার সুরক্ষা লঙ্ঘন হওয়া উচিৎ নয়। তাদের ছবির প্রচার ও সেসব ছবি হস্তগতের প্রক্রিয়া একটি অনধিকারপ্রবেশমূলক চর্চাকে উৎসাহিত করে, যা সবার জন্য বিপজ্জনক। 

মিস ফাউন্ডেশন উইমেন অফ ভিশন অ্যাওয়ার্ডস নামের ওই পুরষ্কার অনুষ্ঠানটি রাজা চার্লসের রাজ্যাভিষেকের পর এই দম্পতির প্রথম জনসমক্ষে উপস্থিতি ছিল৷

প্রিন্স হ্যারির মা প্রিন্সেস ডায়ানা ১৯৯৭ সালে প্যারিসে ফটোগ্রাফার কর্তৃক তাড়া খেয়ে গাড়ি দুর্ঘটনায় নিহত হন।

‘ডায়না, সেভেন ডেইজ’ ডকুমেন্টারির জন্য বিবিসির সাথে একটি সাক্ষাত্কারে প্রিন্স হ্যারি পাপারাজ্জিকে ‘কুকুরের দল’ হিসাবে উল্লেখ করে বলেছিলেন, তারা ক্রমাগত তার মাকে তাড়া করে বেড়াতো। 

আরও পড়ুন: ইমরান খানের জামিনের মেয়াদ বাড়লো

তিনি বলেছিলেন, ‘আমি বলতে চাচ্ছি যে একদল কুকুর তাকে অনুসরণ করেছিল, তাড়া করেছিল, হয়রান করেছিল, তাকে গালি দিয়েছিল, থুথু দিয়েছিল ও প্রতিক্রিয়া পাওয়ার চেষ্টা করেছিল, তার উত্তেজিত হওয়ার ছবি পাওয়ার জন্য।’

এই সপ্তাহের শুরুতে প্রিন্স হ্যারির প্রতিনিধিত্বকারী একজন আইনজীবী লন্ডনের একটি আদালতকে বলেন, যুক্তরাজ্যে থাকাকালীন পুলিশ সুরক্ষার জন্য অর্থ প্রদানের ক্ষমতা অস্বীকার করে সরকারী সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করার অনুমতি দেওয়া উচিত প্রিন্স হ্যারিকে। 


একাত্তর/এসজে