ইসরাইলি বাহিনীর গুলিতে দুই ফিলিস্তিনি তরুণ নিহত

অধিকৃত পশ্চিম তীরে দুই ফিলিস্তিনি তরুণকে গুলি করে হত্যা করেছে ইসরাইলি বাহিনী। 

শুক্রবার ফিলিস্তিনি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চলমান সহিংসতার অংশ হিসেবে ইসরাইলি বাহিনী ওই দুই তরুণকে হত্যা করে। 

নিহত দুজন কিশোরের মধ্যে ইসরাইলি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় একজনের পরিচয় জানিয়েছে। তিনি ১৭ বছর বয়সী মুহাম্মদ ফুয়াদ আত্তা আল-বায়েদ।  

দ্বিতীয়জন হলেন ফাওজি মাখালফেহ এবং তার বয়স ১৮ বলে জানায় ফিলিস্তিনি বার্তাসংস্থা ওয়াফা। 

মুহাম্মদ ফুয়াদ রামাল্লার নিকটবর্তী উম সাফা গ্রামে সহিংসতা চলাকালীন সময়ে ইসরাইলি বাহিনীর হাতে গুলিবিদ্ধ হন। 

ওয়াফা জানিয়েছে, মুহাম্মদ ফুয়াদকে রামাল্লার উত্তরে জালাজোন শরণার্থী শিবির থেকে ক্ষতবিক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করে ইস্তিশারি আরব হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরবর্তীতে আহত অবস্থায় তিনি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। 

তারা আরও জানায়, ইসরাইলি বাহিনী গোলাবারুদ, টিয়ার গ্যাস এবং স্টান গ্রেনেড নিক্ষেপ করে স্থানীয় বাসিন্দাদের উপর আক্রমণ করে । 

তবে ইসরাইলি সেনাবাহিনী বলেছে, মুখোশধারী সন্দেহভাজন তাদের দিকে পাথর ও ঢিল ছুঁড়ে মারার পর আধাসামরিক সীমান্ত পুলিশ ইউনিটের একজন সদস্য তাদের উদ্দেশ্য করে গুলি চালায়। 

শুক্রবার অধিকৃত পশ্চিম তীরের নাবলুস গভর্নরেটে একটি গাড়িতে গুলি চালিয়ে দ্বিতীয় হত্যার ঘটনা ঘটে। এতে একজন নিহত এবং অন্য একজন গুরুতর আহত হয় বলে জানিয়েছে ফিলিস্তিন রেডক্রিসেন্ট। 

গাড়িতে গুলি চালিয়ে হত্যার বিষয়টি ইসরাইলি বাহিনী এক টুইটবার্তায় নিশ্চিত করেছে। 

আরও পড়ুন: রাশিয়ায় যুদ্ধপন্থী ব্লগার আটক

বার্তায় তারা বলে, কিছুক্ষণ আগে, সেবাস্তিয়া শহরে একটি গাড়ি থেকে হামলার চেষ্টা হয়েছিল। বাহিনী গাড়ির দিকে সরাসরি গুলি করে প্রতিক্রিয়া জানায়। চালক মারা গেছেন। অন্য সন্দেহভাজন আহত ও গ্রেপ্তার হয়েছে। 

আল-বায়েদ এবং মাখালফেহ হত্যাকাণ্ড হচ্ছে গত এক বছর ধরে চলে আসা সহিংসতার অংশ। অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরাইলি বাহিনী এই হামলা করে আসছে, যা থামার কোনো লক্ষণ এখন পর্যন্ত দেখা যায়নি।

 

একাত্তর/পিএজে/এসজে