কুরেশির মৃত্যু নিশ্চিত করলো আইএস, উত্তরাধিকারীর নাম ঘোষণা

জঙ্গিগোষ্ঠী আইএসআইএল (আইএসআইএস) তাদের নেতা আবু হুসেইন আল-হুসেইনি আল-কুরেশির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে এবং তার স্থলাভিষিক্ত হিসেবে আবু হাফস আল-হাশিমি আল-কুরেশির নাম ঘোষণা করেছে।

বৃহস্পতিবার তারা বলেছে, বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত উত্তর-পশ্চিম সিরিয়ার ইদলিব প্রদেশে হায়াত তাহরির আল-শাম গ্রুপের সাথে ‘সরাসরি সংঘর্ষে’ তাদের নেতা নিহত হয়েছেন।

আইএসআইএলের একজন মুখপাত্র টেলিগ্রাম মেসেজিং অ্যাপে তার চ্যানেলে রেকর্ড করা বার্তায় এই ঘোষণা দেন। তবে কখন কুরেশিকে হত্যা করা হয়েছে তা উল্লেখ করা হয়নি। 

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান এপ্রিলে বলেছিলেন, তুর্কি গোয়েন্দা বাহিনী সিরিয়ায় আইএস নেতাকে হত্যা করেছে।

আইএসআইএল-এর আরবি সংক্ষিপ্ত নাম ব্যবহার করে এরদোগান বলেন, ‘আইএসআইএল-এর সন্দেহভাজন নেতা, সাংকেতিক নাম আবু হুসেইন আল-কুরেশিকে, সিরিয়ায় এমআইটি (ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্স অর্গানাইজেশন) দ্বারা পরিচালিত একটি অভিযানে নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে।

তুর্কি মিডিয়া একটি মাঠের মাঝখানে একটি বেড়া-বন্ধ ভবনের ছবি প্রকাশ করে, যেখানে বলা হয় তিনি সিরিয়ার আফরিন অঞ্চলে লুকিয়ে ছিলেন। 

আফরিন তুর্কি-সমর্থিত বিদ্রোহীদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত আলেপ্পো প্রদেশে অবস্থিত।

তবে, আইএসআইএল মুখপাত্র বৃহস্পতিবার দাবি করেন, হায়াত তাহরির আল-শাম (এইসটিএস), যেটি ইদলিব প্রদেশের কিছু অংশ নিয়ন্ত্রণ করে, গ্রুপের প্রধানকে হত্যা করেছে এবং তার লাশ তুরস্কের কাছে হস্তান্তর করেছে।

আইএসআইএল এইচটিএসের বিরুদ্ধে আঙ্কারার স্বার্থে কাজ করার অভিযোগ করেছে। তবে এইচটিএস আইএসআইএল নেতাকে লক্ষ্য করে কোনো অপারেশনের কথা স্বীকার করেনি। 

আরও পড়ুন: মেক্সিকোতে বাস দুর্ঘটনায় ১৮ মৃত্যু, চালক আটক

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং অন্যান্য পশ্চিমা সরকারগুলো এইচটিএস-কে ‘সন্ত্রাসী’ গোষ্ঠী হিসাবে কালো তালিকাভুক্ত করেছে।

তুরস্কের রাষ্ট্রীয় বার্তাসংস্থা আনাদোলু সেসময় বলেছিল, এমআইটি চার ঘণ্টার একটি অভিযান পরিচালনা করে আইএসআইএল নেতাকে সনাক্ত করে। ধরা পড়ার কথা বুঝতে পেরে তিনি নিজের আত্মঘাতী ভেস্ট খুলে ফেলেন। 


একাত্তর/এসজে