আমেরিকা-ইউরোপসহ সারাবিশ্বে ফিলিস্তিনের সমর্থনে বিক্ষোভ

অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় দখলদার ইসরাইলের আগ্রাসী হামলার প্রতিবাদে বিশ্বজুড়ে প্রতিবাদ চলছেই। শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিসহ বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে বিক্ষোভ-প্রতিবাদ করেছে হাজারো মানুষ। বিক্ষোভ হয়েছে যুক্তরাজ্যসহ ইউরোপের বহু দেশে।

ওয়াশিংটনের বিক্ষোভে যুদ্ধবিরতি ও স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দাবি জানান তারা। রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে, বিক্ষোভকারীরা ওয়াশিংটন মনুমেন্টের সামনে জড়ো হয়ে প্রতিবাদ মিছিল নিয়ে ক্যাপিটল ভবনের দিকে যান। গাজাবাসীর প্রতি সহমর্মিতা জানিয়ে বিক্ষোভকারীরা অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির দাবি জানান।

palestain1

অন্যদিকে, ইসরাইলি হামলার বিরুদ্ধে এবং ফিলিস্তিনিদের পক্ষে রাজধানী লন্ডনসহ যুক্তরাজ্যজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়েছে। এদিন লন্ডনের পাশাপাশি বিক্ষোভ হয়েছে বার্মিংহাম, কার্ডিফ, বেলফাস্ট ও সালফোর্ডে।

palestain2

কেবল লন্ডনের বিক্ষোভেই অংশ নিয়েছেন এক লাখ মানুষ। রবিবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি। প্রতিবেদনে বলা হয়, শনিবারের এ বিক্ষোভ ও পদযাত্রায় এক লাখ মানুষ অংশ নেয়। পরে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর ডাউনিং স্ট্রিটের কাছে সমাবেশের মাধ্যমে বিক্ষোভটি শেষ হয়।

palestain3

এছাড়া ফ্রান্সের রেনেস, মপিলিয়ের, ডিজন, মার্সেই এবং লিয়নসহ বেশ কয়েকটি শহরে হাজার হাজার ফিলিস্তিনিপন্থী বিক্ষোভকারীরা জড়ো হয়ে ‘আমরা সবাই ফিলিস্তিনি’ স্লোগান দেয়। এছাড়া জার্মান পুলিশ জানিয়েছে, ডুসেলডর্ফে ফিলিস্তিনিপন্থী শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে প্রায় সাত হাজার মানুষ অংশ নেয়।

রোম, বার্সেলোনা, টরন্টো শহর, নিউইয়র্কসহ বিশ্বের অন্যান্য বড় শহরগুলোতেও ফিলিস্তিনের পক্ষে মানুষকে বিক্ষোভে জড়ো হতে দেখা যায়।

palestain4

বিক্ষোভ হয়েছে ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তায়। সেখানকার মার্কিন দূতাবাসের বাইরে হাজারো মানুষ জড়ো হন। বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রতিকৃতি ও  ইসরাইলী পতাকা পোড়ান তারা। প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল - যুক্তরাষ্ট্র ধ্বংস হোক।

গাজায় ইসরায়েলের হামলায় শিশুসহ বেসামরিক মানুষ নিহতের প্রতিবাদে দক্ষিণ আফ্রিকার গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোতে বিক্ষোভ করেছে দেশটির এএনসিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক ও বিভিন্ন গোষ্ঠীর মানুষ। প্রিটোরিয়ার কূটনৈতিক এলাকার কয়েক হাজার মানুষ বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ করেন।