বিশাল সামরিক মহড়া শুরু করেছে ইরান

ইরানের সেনাবাহিনী দেশটির ইস্পাহান প্রদেশে স্থল বাহিনীর সব ইউনিট নিয়ে দুই দিনের বিশাল মহড়া শুরু করেছে। নিজেদের যুদ্ধ ক্ষমতা মূল্যায়ন এবং নতুন অস্ত্র পরীক্ষা করার লক্ষ্যেই এই মহড়া চালাচ্ছে তেহরান।

ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর ডেপুটি চিফ অব স্টাফ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আজিজ নাসিরজাদেহসহ একাধিক সিনিয়র সামরিক কমান্ডারদের উপস্থিতিতে শুক্রবার ইস্পাহানের নাসরাবাদ অঞ্চলে এই মহড়া শুরু হয়। খবর ইরনা ও টাইমস অব ইসরাইলের। 

একজন সামরিক মুখপাত্র জানিয়েছেন, এ মহড়ায় সেনাবাহিনীর বিভিন্ন ইউনিট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যার মধ্যে পদাতিক, সাঁজোয়া, ক্ষেপণাস্ত্র, আর্টিলারি, বিমান চালনা, ড্রোন, ইলেকট্রনিক, আধুনিক এবং সাইবার যুদ্ধ ইউনিটও রয়েছে।

ইরানের সামরিক মহড়া। ইমেজ- প্রেসটিভি।

তিনি বলেছেন, নতুন সাংগঠনিক কাঠামোর সাথে সামঞ্জস্য রেখে চারটি মূল বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে, অর্থাৎ গতি, নির্ভুলতা, বুদ্ধিমত্তা, সামরিক সরঞ্জাম স্বয়ংক্রিয় এবং নেটওয়ার্ক সক্ষমতার ওপর জোর দেয়া হয়েছে এ মহড়ায়। 

দেশটির বিমানবাহিনীর কমান্ডার ইউসেফ ঘোরবানি জানান, সেনাবাহিনীর পাশাপাশি সামরিক হেলিকপ্টারও এ মহড়ায় অংশগ্রহণ করছে। 

তবে ইসরাইল-হামাস সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে ইরান এ মহড়া শুরু করেছে কিনা তা নিশ্চিত করেনি দেশটির সেনাবাহিনী।   

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের দাপট বজায় রাখতেই মহড়া চালাচ্ছে ইরান।

 

এদিকে বেলারুশের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার লুকাশেঙ্কো বলেছেন, ইসরাইল এবং তার মিত্ররা যদি ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে তাহলে এর মধ্যদিয়েই তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হতে পারে। 

যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করে লুকাশেঙ্কো বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি বিমানবাহী রণতরি ব্যবহার করে ভূমধ্যসাগর থেকে হামলা চালাতে শুরু করে, তাহলে ইরান তার জবাব দেবে। একটি গুরুতর সংঘাত ছড়িয়ে পড়তে পারে, এমনকি সবচেয়ে প্রাণঘাতী অস্ত্রের ব্যবহার করেও যুদ্ধ হতে পারে।