বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিধর সামরিক শক্তি হিসাবে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে আমেরিকা। ‘গ্লোবাল ফায়ার পাওয়ার ইনডেক্স’ বা জিএফপি সূচিতে দেশটি এক নম্বর স্থান পেয়েছে। ঘাড়ের কাছে চীন নিশ্বাস ফেললেও ভ্লাদিমির পুতিনের দেশ রাশিয়া এখনো রয়েছে দুই নম্বরে। চীন রয়েছে তিন নম্বরে।
আন্তর্জাতিক সামরিক পর্যবেক্ষণ বিষয়ক- ‘গ্লোবাল ফায়ার পাওয়ার ইনডেক্স’ প্রতি বছরের শুরুতেই বিশ্বের সামরিক শক্তিধর দেশের তালিকা প্রকাশ করে থাকে। সেনা সংখ্যা, সমরাস্ত্র ও সমর ভাণ্ডারের মান-পরিমাণ, সেনাবাহিনী কৌশলগত অবস্থান ও সংশ্লিষ্ট দেশের আর্থিক হাল বিশ্লেষণ করে প্রকাশিত হয়েছে এই তালিকা।
দেশে দেশে সামরিক শক্তির সক্ষমতা নিয়ে ২০০৬ সাল থেকে প্রতি বছর প্রতিবেদন প্রকাশ করে আসছে এই প্রতিষ্ঠানটি। ২০২৪ সালে ১৪৫টি দেশের মধ্যে সামরিক সক্ষমতার বিচার করেছে গ্লোবাল ফায়ার পাওয়ার। এটি করা হয় মূলত দেশগুলোর সৈন্য সংখ্যা, সামরিক সরঞ্জাম, আর্থিক স্থিতিশীলতা, ভৌগোলিক অবস্থান এবং অর্জিত সম্পদ সহ অন্তত ৬০টি দিক বিবেচনা করে।
এই তালিকায় বিস্ময়কর উন্নতি হয়েছে ভারতের। দেশটি এখন বিশ্বের চতুর্থ সামরিক শক্তির দেশ। ‘গ্লোবাল ফায়ার পাওয়ার ইনডেক্স’ অনুযায়ী প্রথম দশে থাকা পরের দেশগুলো হলো দক্ষিণ কোরিয়া, ব্রিটেন, জাপান, তুরস্ক, পাকিস্তান এবং ইতালি। বিস্ময়করভাবে প্রথম দশে নেই পরমাণু শক্তির দেশ ফ্রান্স।
ফায়ার পাওয়ারের প্রকাশিত তালিকাটি বৈশ্বিক সামরিক শক্তির একটি প্রাথমিক ধারণা দিতে সক্ষম। বিশ্বের মোট ১৪৫টি দেশের ওই তালিকায় ৩৭ নম্বরে অবস্থান করছে বাংলাদেশ। তালিকাটিতে সবার নিচে অর্থাৎ ১৪৫ তম অবস্থানে ভুটানকে রাখা হয়েছে।
উল্লেখ্য, বছর দুয়েক আগে সামরিক বিষয়ক ওয়েবসাইট ‘মিলিটারি ডিরেক্ট’ প্রকাশিত ‘আল্টিমেট মিলিটারি স্ট্রেংথ ইনডেক্স’ বা ‘প্রকৃত সামরিক শক্তি সূচক’ জানিয়েছিল, আমেরিকাকে টপকে বিশ্বে এক নম্বর শক্তি হয়ে উঠেছে চীন। সেই সূচকেও ভারত চতুর্থ স্থানে ছিলো।