বলিউডের সেলুলয়েড পর্দায় ঝড় তোলা জাতীয় পুরস্কার জয়ী অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাওয়ান রাজনীতির মাঠে খেলতে নেমেই গোল করলেন। এবারের লোকসভা নির্বাচনে তিনি ভিড়েছিলেন গেরুয়া শিবিরে। হিমাচল প্রদেশের লোকসভা আসন মান্ডি থেকে ভোটে দাঁড়িয়ে বেশ বড় জয়ই পেয়েছেন।
বিজয়ের পর বলিউডের ‘কুইন’ কঙ্গনা বলেন, আজকের দিনটা আমার জন্য বিশেষ দিন। প্রার্থী হিসেবে এটা আমার প্রথম নির্বাচন ছিলো। যেহেতু রাজনীতিতে প্রথম, সেহেতু নানা অনিশ্চয়তা ছিলো। এটা আমার প্রথম জয়ও। আমি ধন্যবাদ জানাতে চাই আমার দলীয় কর্মীদের।
কঙ্গনা আরও ধন্যবাদ জানান বিজেপি নেতা জয়রাম ঠাকুরজিকে। যিনি প্রথম থেকেই তার পাশে ছিলেন। সব বিধায়কদেরও ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, মাথানত করে ধন্যবাদ জানাই মান্ডির সব মানুষকে। মান্ডিকন্যা, মান্ডির বোন কঙ্গনাকে এত ভালেবাসা দিয়েছে। মান্ডির সেনা হিসেবে মান্ডিকে রক্ষা করব। বিকাশ করব।
কঙ্গনার প্রবল প্রতিপক্ষ ছিলেন মান্ডির ‘রাজাসাহেব’ বিক্রমাদিত্য সিং। মান্ডির প্রয়াত রাজা বীরভদ্র সিংয়ের পুত্র। বীরভদ্র সিং হিমাচলের রাজনীতিতে কিংবদন্তি। বহুবার মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন। হিমাচলে ‘বীরভদ্র মডেল’ বেশ জনপ্রিয়ও। যার সুফল সবচেয়ে বেশি পেয়েছে মান্ডিই।
বিক্রমাদিত্যর বয়স মোটে ৩৩। ধারে-ভারে রাজনীতিতে তিনি অনেকটাই এগিয়ে। অন্যদিকে, কঙ্গনার জন্য মান্ডির লড়াই ছিলো রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠা পাওয়ার। কিন্তু বিক্রমাদিত্যর জন্য লড়াইটা নিজেদের রাজনৈতিক অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার। কিন্তু তা হল না। কঙ্গনা প্রথমবারই এসে দেখলেন ও জয় করলেন।
প্রায় ৭৫ হাজার ভোটে জিতেছেন, বলিউড সুপারস্টার কঙ্গনা রানাওয়াত। ভোটের দিনই কঙ্গনা বলেছিলেন, হিমাচল প্রদেশে গেরুয়া ঝড় উঠবে। আশা করি, মাণ্ডির মানুষ আমাকে আশীর্বাদ করবেন। কঙ্গনাকে জেতার পরই এক্স হ্যান্ডেলে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন অনুপম খেরসহ আরও অনেক বলিউড ব্যক্তিত্ব।