হামাস নেতা ইসমাইল হানিয়ার কাপুরুষোচিত হত্যাকাণ্ডকে ঘিরে ক্ষোভে ফুঁসছে মধ্যপ্রাচ্যে। এই হত্যার জন্য ইরান সরাসরি ইসরাইলকে দায়ী করে প্রতিশোধ নেয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও, এই ঘটনা নিয়ে কোন প্রতিক্রিয়াই দেয়নি মধ্যপ্রাচ্যের ‘ক্যান্সার’ ইহুদিবাদী রাষ্ট্রটি। কোন কথা বলেনি ইসরাইলের দোসর আমেরিকাও।
কিন্তু হানিয়া হত্যাকাণ্ডের পেছনে আমেরিকার হাত নেই, এ কথা মেনে নিতে পারছেন না মধ্যপ্রাচ্যের কোন নেতা। জাতিসংঘে ইরানের রাষ্ট্রদূত ও স্থায়ী প্রতিনিধি আমীর সৈয়দ রিওয়ানি বলেছেন, আমেরিকার অনুমোদন ছাড়া তেহরানে ইসমাইল হানিয়াহকে হত্যা করা অসম্ভব।
নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় বুধবার সন্ধ্যায় ‘মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি’ নিয়ে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের এক বৈঠকে হানিয়া হত্যাকাণ্ডের কথা উল্লেখ করে, হানিয়া হত্যাকাণ্ডে ইহুদিবাদী শাসকদের কৌশলগত মিত্র ও প্রধান সমর্থক হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকাকে উপেক্ষা করা উচিত নয়।
সৈয়দ রিওয়ানি বলেন, ইসরাইলি শাসকদের ভয়ঙ্কর সব অপরাধ আমেরিকার অনুমতি ও গোয়েন্দা সহায়তা ছাড়া ঘটতে পারে না। তিনি আরও বলেন, হানিয়া হত্যাকাণ্ড ইরানের সার্বভৌমত্ব এবং জাতীয় নিরাপত্তার জন্য বড় ধরনের আঘাত এবং এই বিষয়ে নিরাপত্তা পরিষদের কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন।
ইরানের অনুরোধে হানিয়া হত্যার বিষয়ে বুধবার নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি অধিবেশন আহ্বান করা হয়। অধিবেশন আহ্বানের জন্য রাশিয়া, আলজেরিয়া এবং চীন সমর্থন জানিয়েছিল।