যেসব দেশে এমপক্সের সংক্রমণ দেখা দিয়েছে সেসব দেশ থেকে আসা মানুষ এবং যাদের মধ্যে এমপক্সের লক্ষণ রয়েছে চীনে যেতে হলে তাদের এমপক্সের পরীক্ষা করতে হবে।
ডয়চে ভেলের খবরের চীনা কর্তৃপক্ষের বরাতে বলা হয়েছে, আগামী ছয় মাস পর্যন্ত চীনে যাওয়া ব্যক্তিদের শরীরে এমপক্সের লক্ষণ পরীক্ষা করা হবে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডাব্লিউএইচও) বুধবার এমপক্স নিয়ে বৈশ্বিক জনস্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা করার পর পরই চীনের পক্ষ থেকে এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হলো।
প্রাথমিক পর্যায়ে চীনে ঢোকার আগে নিজ উদ্যোগে কাস্টমসকে এমপক্স বিষয়ক তথ্যগুলো জানানোর পরামর্শ দেয়া হয়েছে। এছাড়া এমপক্স আক্রান্ত দেশগুলো থেকে চীনে যাওয়া যানবাহন, কনটেইনার ও পণ্য জীবাণুমক্ত করারও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
১৯৭০ সালে আফ্রিকার দেশ ডিআর কঙ্গোতে মানবদেহে প্রথম এমপক্সের সংক্রমণ হয়েছিল। পরে সেটি অন্যান্য দেশে ছড়িয়ে পড়ে।
২০২৩ সালের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত ডিআর কঙ্গোতে প্রায় ২৭ হাজার মানুষ এমপক্সে আক্রান্ত হয়েছেন। মারা গেছেন ১,১০০’র বেশি মানুষ, যাদের বেশিরভাগই শিশু।
এবার নতুন করে আবারও এ রোগের বিস্তার হতে দেখা যাচ্ছে। এমপক্সের জন্য দায়ী মাঙ্কিপক্স ভাইরাস। এমপক্স রোগটি আগে মাঙ্কিপক্স নামে পরিচিত ছিলো। এটি স্মলপক্স বা গুটিবসন্তের জন্য দায়ী ভাইরাসের একই শ্রেণিভুক্ত৷ মাঙ্কিপক্স প্রথম পশু থেকে মানুষে সংক্রমিত হয়। কিন্তু বর্তমানে মানুষ থেকে মানুষেও সংক্রমণ ঘটছে।