প্রশান্ত মহাসাগরে সৃষ্টি হওয়া শক্তিশালী সুপার টাইফুন বাভি ধেয়ে আসছে চীনের পূর্ব উপকূলের দিকে। ঘণ্টায় প্রায় ২১৬ থেকে ২৯০ কিলোমিটার বেগের বাতাস নিয়ে এগিয়ে আসা এই ঘূর্ণিঝড়কে ঘিরে ঝেজিয়াং ও ফুজিয়ান প্রদেশে জারি করা হয়েছে জরুরি সতর্কতা।
আবহাওয়াবিদদের আশঙ্কা, শুধু উপকূল নয়, প্রবল বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার প্রভাবে পূর্ব, মধ্য ও উত্তর চীনের বিস্তীর্ণ এলাকাও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
প্রশান্ত মহাসাগরে সৃষ্টি হওয়া সুপার টাইফুন ‘বাভি’ শক্তি সঞ্চয় করে চীনের পূর্ব উপকূলের জন্য বড় হুমকি হয়ে উঠেছে। শক্তিশালী এই ঘূর্ণিঝড়কে ঘিরে ঝেজিয়াং ও ফুজিয়ান প্রদেশে জরুরি প্রস্তুতি জোরদার করেছে চীনা কর্তৃপক্ষ। সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি কমাতে নেওয়া হচ্ছে নানা ধরনের প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা।

চীনের জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্রের তথ্যমতে, বাভি দীর্ঘ সময় ধরে সুপার টাইফুনের শক্তি ধরে রেখেছে। এর কেন্দ্রের চারপাশে বিস্তৃত মেঘমালা এবং শক্তিশালী আইওয়াল এটিকে সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম সুপার টাইফুনে পরিণত করেছে।
আবহাওয়াবিদরা বলছেন, স্থলভাগে প্রবেশের পর কিছুটা দুর্বল হলেও এটি প্রবল বাতাস ও ভারী বৃষ্টিপাতের মাধ্যমে বিস্তীর্ণ এলাকায় প্রভাব ফেলতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বাভির সবচেয়ে বড় ঝুঁকি শুধু দমকা বাতাস নয়, এর সঙ্গে রয়েছে অতিভারী বৃষ্টিপাত। উপকূলীয় এলাকার পাশাপাশি পূর্ব, মধ্য ও উত্তর চীনের বিভিন্ন অঞ্চলেও বন্যা, জলাবদ্ধতা, ভূমিধস এবং আকস্মিক বন্যার আশঙ্কা রয়েছে। যা বিস্তীর্ণ অঞ্চলে জনজীবন, যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং কৃষিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে।
এছাড়া পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধস এবং নদী অববাহিকায় পানি বৃদ্ধির ঝুঁকিও উড়িয়ে দিচ্ছেন না আবহাওয়াবিদরা।
সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবিলায় উপকূলীয় এলাকায় মাছ ধরার নৌযান নিরাপদ আশ্রয়ে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। পাশাপাশি অস্থায়ী স্থাপনা, নির্মাণাধীন ভবন ও উপকূলীয় অবকাঠামো সুরক্ষিত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি মোকাবিলায় সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে চীনের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দাদের সরকারি নির্দেশনা মেনে নিরাপদ স্থানে অবস্থান এবং অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ এড়িয়ে চলার আহ্বানও জানানো হয়েছে।
মাশহাদে চিরনিদ্রায় শায়িত ইরানের শহীদ নেতা খামেনি
রাজধানীসহ সারাদেশে বৃষ্টি-বজ্রপাত, ভারী বর্ষণের সতর্কতা