গাজায় জাতিসংঘের মানবিক কার্যক্রম বন্ধ

গাজার দেইর আল-বালাহ এলাকা থেকে সবাইকে সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে ইসরাইল। এই নির্দেশনার কারণে অনির্দিষ্টকালের জন্য ত্রাণ কার্যক্রম বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছে জাতিসংঘ।

মঙ্গলবার ইসরাইলি গণমাধ্যম টাইমস অব ইসরাইলের প্রতিবেদনে বলা হয়, কবে এই সহায়তা কার্যক্রম আবারও শুরু হবে, সে বিষয়ে কোনো তথ্য জানায়নি জাতিসংঘ।

চলতি সপ্তাহে গাজার দেইর আল-বালাহ এলাকা থেকে সবাইকে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেয় ইসরাইল।

জাতিসংঘের একজন সিনিয়র কর্মকর্তা জানান, মঙ্গলবার আমরা আমাদের কার্যক্রম বন্ধ রেখেছি। সকাল থেকেই গাজায় কোনো কার্যক্রম হচ্ছে না।

un-help-in-gaza1

তিনি জানান, হামাস-ইসরাইল যুদ্ধের শুরু থেকেই গাজায় মানবিক কার্যক্রম পরিচালনায় বারবার বাধার মুখে পড়েছে জাতিসংঘ। অনেক সময় ত্রাণের সরবরাহ স্থগিত রাখতে বা বিলম্বিত করতে হয়েছে।

গত বছরের ৭ অক্টোবর ইসরাইলি ভূখণ্ডে হামলা চালায় হামাস। ওই হামলায় প্রায় এক হাজার ২০০ মানুষ নিহত হন এবং হামাসের হাতে জিম্মি হন ২৫১ জন।

ধারণা করা হয়, গাজায় এখনো ১০৫ জিম্মি অবস্থান করছেন। এছাড়া আইডিএফ নিশ্চিত করেছে, হামাসের কাছে ৩৪ জনের মরদেহও রয়েছে। বাকিরা নভেম্বরের যুদ্ধবিরতির সময় বন্দি বিনিময় চুক্তির অংশ হিসেবে মুক্তি পান।

un-help-in-gaza2

৭ অক্টোবরের হামলার পর, সেদিনই গাজায় নির্বিচার ও প্রতিশোধমূলক হামলা শুরু করে ইসরাইল, যা আজও অব্যাহত রয়েছে।

গাজার হামাস নিয়ন্ত্রিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, গত ১০ মাসে নিহতের সংখ্যা ৪০ হাজার ৪৩৫। আহত হয়েছেন ৯৩ হাজার ৫৩৪। হতাহতের বেশিরভাগই নারী ও শিশু।

ইসরাইলের দাবি, যুদ্ধে ১৭ হাজার হামাস যোদ্ধা নিহত হয়েছেন এবং ইসরাইলের অভ্যন্তরে ৭ অক্টোবর আরও এক হাজার যোদ্ধার মৃত্যু হয়।