পান্নার মরদেহ হস্তান্তর হতে পারে শনিবার

ভারতের মেঘালয়ে উদ্ধার হওয়া ৯০ এর স্বৈরাচারবিরোধী গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম ছাত্রনেতা আওয়ামী লীগ নেতা ইসহাক আলী খান পান্নার মরদেহ শনিবার তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হতে পারে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক খবরে এ কথা জানানো হয়েছে।

এনডিটিভিকে মেঘালয়ের পদস্থ এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে অর্থাৎ হাই কমিশনের কর্মকর্তাদের কাছে পান্নার মরদেহ হস্তান্তর করা হবে। তার মরদেহ ডাউকি-তামাবিল সীমান্ত চেক পোস্টে নেওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছেন ওই কর্মকর্তা।

মেঘালয় পুলিশ জানিয়েছে, গেলো ২৬ আগস্ট রাজ্যটির পূর্ব জৈন্তিয়া পাহাড়ের দোনা ভোই গ্রামের একটি সুপারি বাগানের মধ্যে পান্নার আধা পচা মরদেহ পাওয়া যায়। এলাকাটি ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত থেকে দেড় কিলোমিটার দূরে। পান্নার কাছে থাকা পাসপোর্ট থেকে মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে।

পান্নার ময়নাতদন্ত রিপোর্টে বলা হয়েছে, তার মৃত্যুর কারণ হলো শ্বাসরোধের কারণে সৃষ্ট শ্বাসকষ্ট।তার মরদেহ ফরেনসিক বিশ্লেষণের জন্য পাঠানো হয়েছে।

এছাড়াও ইসহাক আলী খান পান্নার শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে জানা গেছে। তার কপালে আঘাত এবং ক্ষত চিহ্ন রয়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিকভাবে ইসহাক আলী খান পান্নার মরদেহ পাওয়ার কথা জানায় মেঘালয় পুলিশ।

পান্নার মৃতদেহ বর্তমানে খেইহরিয়াত সিভিল হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। পান্নার মরদেহ হস্তান্তরের বিষয়ে কেন্দ্রের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় থাকার কথা শুক্রবারই জানায় মেঘালয় রাজ্য সরকার।

ওইদিন রাজ্যের উপ মুখ্যমন্ত্রী (স্বরাষ্ট্র) প্রেস্টন টাইনসং বলেন, আমরা শীর্ষস্থানীয় কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ ও ভারতের হাই কমিশনকে মরদহে উদ্ধারের বিষয়টি জানিয়েছি। এখন পরবর্তী করণীয় জানতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার অপেক্ষায় আছি।

এর আগে জেলা পুলিশের প্রধান গিরি প্রসাদ বলেছিলেন, মৃতদেহ পেতে হলে পরিবারের সদস্যদের মেঘালয় সরকারের কাছে যেতে হবে এবং কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে এটি হস্তান্তর করা হবে।