আরজি কর কাণ্ডে নারী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় সঞ্জয় রায় দোষী প্রমাণিত বলে জানিয়েছেন বিচারক অনির্বান দাস।
বিচারক জানিয়েছেন, এই ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ শাস্তি হলো মৃত্যুদণ্ড ও সবচেয়ে কম শাস্তি হলো যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। তবে শনিবার (১৮ জানুয়ারি) সাজা ঘোষণা করেননি বিচারক। তিনি জানিয়েছেন, সোমবার সাজা ঘোষণা করা হবে।
ডয়চে ভেলের খবরে বলা হয়েছে, আদালতে ১২ মিনিটের শুনানি হয়।
এসময় বিচারক অনির্বাণ দাস সঞ্জয় রায়কে উদ্দেশ্য করে বলেন, আপনি ওইদিন আরজি করে গিয়ে চিকিৎসকের গলা টিপেছিলেন, তাকে যৌন নিগ্রহ করেছেন। তাকে হত্যা করেছেন।
সঞ্জয়ের কাছে বিচারক জানতে চান, আপনি কি কিছু বলতে চান?
সঞ্জয় তখন বিচারককে বলে, আমি নির্দোষ। আমাকে ফাঁসানো হচ্ছে। আইপিএস অফিসার যা বলেছে তাই করেছি। আমার গলায় রুদ্রাক্ষের মালা রয়েছে। আমি অপরাধ করলে তা ছিঁড়ে পড়ে যেতো।
জবাবে বিচারক বলেন, আমার সামনে যে তথ্যপ্রমাণ রাখা হয়েছে এবং সিবিআই যা বলেছে, তাতে আমি সন্তুষ্ট।
পশ্চিমবঙ্গের কলকাতা শহরের আরজি কর মেডিকেল হাসপাতালের এক ইন্টার্ন চিকিৎসককে নৃশংসভাবে খুন ও ধর্ষণের ঘটনার ১৬২ দিনের মাথায় সঞ্জয় রায়কে দোষী সাব্যস্ত করলো শিয়ালদা কোর্ট।
আদালতে ধর্ষণ ও খুন উভয় অপরাধেই সঞ্জয়ের বিরুদ্ধে তথ্যপ্রমাণ জমা দিয়েছে সিবিআই। বিএনএস ৬৪ (ধর্ষণ), বিএনএস ৬৬ (ধর্ষণ, খুন), ১০৩ (১) (খুন)-এ দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে তাকে।