মুক্তি পাচ্ছেন আরও আট জিম্মি ও ১১০ ফিলিস্তিনি বন্দি

গাজায় যুদ্ধবিরতির চুক্তি অনুযায়ী তৃতীয় দফায় ৩০ শিশুসহ ১১০ ফিলিস্তিনি বন্দিকে মুক্তি দেবে ইসরাইল। বৃহস্পতিবার মুক্তি পেতে যাওয়া এ জিম্মিদের মধ্যে ৩০ শিশুও রয়েছে। অন্যদিকে হামাস গাজায় তাদের কাছে থাক আট জিম্মিকে মুক্তি দেবে। এসব জিম্মির মধ্যে পাঁচজন থাই এবং তিনজন ইসরাইলি নাগরিক।

তিন ইসরাইলি হলেন আরবেল ইয়েহুদ, আগাম বেরগার এবং গাদি মোসে মোজেস। বুধবার মধ্যস্থতাকারী দেশ কাতার ও মিসরের মাধ্যমে এসব জিম্মির নামের তালিকা দিয়েছে হামাস। সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরাইল জানিয়েছে, গাজায় এখনো আট থাই নাগরিক ও একজন করে নেপালি ও তানিজানিয়ান রয়েছেন।

অবশ্য আট থাইয়ের মধ্যে দুই জন মারা গেছেন। এছাড়া, তানজানিয়ার ওই নাগরিকও নিহত হয়েছেন। তিন ইসরাইলির মধ্যে আরবেল ইয়েহুদের গত শনিবার মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল। তবে তিনি ফিলিস্তিনের আরেক সশস্ত্র গোষ্ঠী ইসলামিক জিহাদের হাতে বন্দি থাকায়; তাকে মুক্তি দেওয়া সম্ভব হয়নি। আর, তাকে মুক্তি না দেওয়ায় সাধারণ গাজাবাসীকে উত্তরাঞ্চলে যেতে দিচ্ছিল না ইসরাইল।

গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয় ১৯ জানুয়ারি। এই যুদ্ধবিরতি অনেকাংশেই নির্ভর করছে হামাসের হাতে আটক জিম্মিদের মুক্তির ওপর। সব জিম্মি মুক্তি পেলে একই সঙ্গে ছাড়া পাবেন এক হাজার ৯০০ ফিলিস্তিনি বন্দি। প্রথম দুই ধাপে ২৯০ ফিলিস্তিনির বিনিময়ে মুক্তি পান সাত ইসরাইলি নারী। এই সপ্তাহান্তেই চতুর্থ দফায় জিম্মি-বন্দি বিনিময় হতে পারে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

gaza

তবে বুধবার হামাস অভিযোগ করেছে, ইসরাইল শর্ত অনুযায়ী গাজায় ত্রাণ প্রবেশ করতে দিচ্ছে না, যা যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে হুমকির মুখে ঠেলে দিয়েছে। যথারীতি, ইসরাইল এই অভিযোগকে ‘ভুয়া খবর’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে।

হামাসের দুই শীর্ষ কর্মকর্তা ইসরাইলের বিরুদ্ধে ত্রাণ বিতরণে বাধা দেওয়ার অভিযোগ এনেছেন। এক কর্মকর্তা জানান, গাজার ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য যেসব উপকরণ জরুরি, সেগুলো ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। উদাহরণ হিসেবে তিনি জ্বালানি তেল, তাঁবু, ভারী যন্ত্রপাতি ও অন্যান্য উপকরণ।