ইসরাইলের বিরুদ্ধে নতুন করে মিসাইল ও ড্রোন আক্রমণ শুরু করেছে ইরান। বৃহস্পতিবার সকালের পর বাংলাদেশ সময় রাত পৌনে আটটার দিকে এ হামলার খবর দিয়েছে ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনী। অন্যদিকে, ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রকাশ্যে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যা করার হুমকি দিয়েছেন। তিনি বলেন, ইরানের নেতাকে আর বাঁচিয়ে রাখা যায় না।
আর, ইরানের বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের মাধ্যমে জানিয়েছে, হাইফা ও তেল আবিব শহরে সামরিক লক্ষ্যবস্তু ও সামরিক শিল্পের সাথে সম্পর্কিত কেন্দ্রগুলোর বিরুদ্ধে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের সম্মিলিত আক্রমণের একটি নতুন দফা শুরু হয়েছে।
আইআরজিসি আরও জানিয়েছে, হাইফা এবং তেল আবিবে সামরিক লক্ষ্যবস্তু, বিশেষ করে বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার বিরুদ্ধে ১০০টিরও বেশি ধরণের যুদ্ধ ও আত্মঘাতী ড্রোন দিয়ে অভিযান চালানো হচ্ছে। সেই সঙ্গে আরও হুশিয়ারী দিয়েছে, ইসরাইলে সামরিক লক্ষ্যবস্তুগুলোর বিরুদ্ধে মিসাইল আক্রমণ তীব্রতর করবে।
আর আইডিএফ বলেছে, তারা ইরান থেকে ছোড়া নতুন মিসাইল শনাক্ত করেছে। যেগুলো ভূপাতিতের চেষ্টা করা হবে। মিসাইল হামলার কারণে ইসরাইলিদের আশ্রয়কেন্দ্রে চলে যাওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে প্রতিরক্ষা বাহিনী। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তাদের সেখানেই থাকতে বলা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার ইসরাইলি সংবাদমাধ্যম ইয়েদিয়োথ আহরোনোথের এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরাইলের বিভিন্ন প্রান্তে হাজার হাজার মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েছেন। হাজার হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। তাদের অনেকেই বর্তমানে খোলা আকাশের নিচে ও সরকারি আশ্রয় কেন্দ্রে ঠাঁই নিয়েছেন।
ইসরাইলের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, গত কয়েক দিনে ইসরাইলে ইরানের হামলায় তেল আবিবসহ বিভিন্ন শহরে হাজারও মানুষ ঘরবাড়ি হারিয়েছে। ইরানের হামলায় কমপক্ষে ৫ হাজার ১১০ জন মানুষ বর্তমানে গৃহহীন হয়ে পড়েছে। তাদের মধ্যে শুধুমাত্র রাজধানী তেল আবিবেরই বাসিন্দা আছেন ৯০৭ জন।