রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন আসন্ন মার্কিন-রাশিয়া শীর্ষ বৈঠকের আগে দুই দেশের সহযোগিতা আরও জোরদারের অঙ্গীকার করেছেন। দুই দেশই ফোনালাপের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। টেলিফোনে দুই নেতা ভবিষ্যতে সহযোগিতা বাড়ানোর ইচ্ছা পুনর্ব্যক্ত করেন।
পুতিন ও ট্রাম্পের মধ্যে আলাস্কায় বৈঠকের তিন দিন আগে তাদের মধ্যে এই ফোনালাপ হলো। উত্তর কোরিয়া সম্প্রতি রাশিয়ার কুরস্ক অঞ্চলে হাজার হাজার সৈন্য পাঠিয়েছে এবং যুদ্ধে অস্ত্র সরবরাহ করছে।
মঙ্গলবারের ফোনালাপে পুতিন কুরস্ক মুক্ত করার ক্ষেত্রে উত্তর কোরিয়ার সেনাদের আত্মত্যাগী মনোভাবের প্রশংসা করেন। জবাবে কিম বলেন, উত্তর কোরিয়া ভবিষ্যতেও রুশ নেতৃত্বের নেয়া সব পদক্ষেপে পূর্ণ সমর্থন দেবে।
আলাস্কায় ইউক্রেন নিয়ে ট্রাম্প ও পুতিনের মধ্যে আলোচনা শেষ হবার আগেই, এবার আলোচনায় কিম-পুতিনের ফোনালাপ। এনিয়ে আলোড়ন শুরু হয়েছে বিশ্বজুড়ে।
ইতিমধ্যেই রাশিয়া উত্তর কোরিয়ার বন্ধুত্বের সম্পর্কের পরিপ্রেক্ষিতে কয়েক হাজার উত্তর কোরিয়ান ওয়ার্কার রাশিয়ায় বিভিন্ন কনস্ট্রাকশন প্রজেক্ট এ নির্মাণ কার্যের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে।
ইউক্রেনের দোব্রোপিলিয়াতে ইতিমধ্যেই প্রায় ১০ কিলোমিটার ভিতরে ঢুকে রয়েছে রাশিয়ান বাহিনী। রাশিয়া – ইয়ং ইয়ং এর মধ্যে দীর্ঘ বন্ধুত্বের বন্ধন অটুট থাকার কারণে রাশিয়াকে সমস্ত রকম সহযোগিতা করতে প্রস্তুতির কথা জানিয়েছে উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম জং উন। যে সময়কালে দাঁড়িয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সহ- পশ্চিম এ দুনিয়ার পক্ষ থেকে রাশিয়ার ওপর বিভিন্ন ধরনের অনৈতিক নিষেধাজ্ঞা চাপানো হচ্ছে, তার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে উত্তর কোরিয়ার পক্ষ থেকে দশ হাজার উত্তর কোরিয়ান সেনাকে রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধে লড়ার জন্য পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।
পাশাপাশি উত্তর কোরিয়ার পক্ষ থেকে রাশিয়াকে বিভিন্ন ধরনের উন্নত প্রযুক্তি সম্পন্ন ক্ষেপণাস্ত্র আর্টিলারি সেল সহ বিভিন্ন ধরনের সমরাস্ত্র পাঠানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে উত্তর কোরিয়া থেকে আরও কয়েক হাজার শ্রমিককে রাশিয়ার বিভিন্ন অংশে নির্মাণ কার্যে সহযোগিতা করার জন্য পাঠানো হচ্ছে।