যুদ্ধের ময়দানে অনড় দুই পক্ষই। আজ সকালেও তেহরানে নতুন করে ব্যাপক বিমান হামলা চালিয়েছে দখলদার ইসরাইল। হামলা হয়েছে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র এবং একটি পারমাণবিক গবেষণা কেন্দ্রে।
এখন পর্যন্ত ইরানে হতাহতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে এক হাজার। পাশাপাশি লেবাননেও ব্যাপক বিমান হামলা চালিয়েছে নেতানিয়াহুর সেনারা। জবাবে ইসরাইলে দফায় দফায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা করেছে তেহরান।
এছাড়া কাতারে আল-উদেইদ মার্কিন বিমান ঘাঁটিতে হামলা করেছে ইরান। গতরাতে ড্রোন হামলা হয়েছে দুবাইয়ে মার্কিন কনস্যুলেটের কাছে।
ইরান কিংবা ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্র, কেউই পিছু হটছে না যুদ্ধের ময়দান থেকে। যে যার অবস্থানে অনড়। ফলে চলছে ধ্বংসযজ্ঞ, বাড়ছে হতাহত।
তেহরানে বুধবার সকালে নতুন করে বেশ কয়েকটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে ইরানে ‘ব্যাপক বিমান হামলা’ শুরুর ঘোষণার পরপরই এই বিস্ফোরণগুলো ঘটলো।
এছাড়া ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র এবং একটি পারমাণবিক গবেষণা কেন্দ্র লক্ষ্য করেও হয়েছে বিমান হামলা। দেশটিতে এ পর্যন্ত প্রায় দুই হাজার লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
ইরানের পাশাপাশি লেবাননেও ব্যাপক বিমান হামলা চালিয়েছে নেতানিয়াহুর সেনারা। হিজবুল্লাহ নেতাদের বৈঠক চলাকালে এ হামলা চালায় তার। ফলে এই অভিযানে বহু হতাহতের আশঙ্কা করছে গোষ্ঠীটি।
এর মধ্যেই ইরানের পাল্টা আঘাত হানার সক্ষমতা ধীরে ধীরে কমছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড-সেন্টকমের প্রধান জেনারেল কুপার।
তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার প্রতিশোধ নিতে ইরান এখন পর্যন্ত পাঁচশরও বেশি ক্ষেপণাস্ত্র এবং দুই হাজারেরও বেশি ড্রোন ছুড়েছে। বর্তমানে ইরান তাদের উৎক্ষেপণ সক্ষমতা নিয়ে বড় ধরনের সংকটের মুখে পড়েছে।
এদিকে, ইরান বলছে দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের প্রস্তুতি রয়েছে তাদের। পাশাপাশি তারা এখনও তাদের সবচেয়ে উন্নত অস্ত্রগুলো ব্যবহারই করেনি বলে দাবি করেছে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।