বুধবার কয়েক ঘণ্টার বেশি সময় ধরে দেশজুড়ে ব্ল্যাক আউটের মুখোমুখি হয় ইকুয়েডর। রাজধানী কুইটোসহ অনেকগুলো বড় শহরে বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের কারণে মেট্রো পরিবহণ, সড়ক ট্র্যাফিকের ব্যবস্থাপনা এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পরিষেবাগুলো বিকল হয়ে পড়ে।
স্থানীয় সময় বিকাল তিনটার পর হঠাৎ বিদ্যুৎ বিপর্যয় ঘটে ইকুয়েডরে। এমন পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ পরিচালিত পাতাল রেলও আকস্মিকভাবে বন্ধ হয়ে যায়।
রাজধানী কুইটোর পাতাল রেলেই আটকা পড়ে শত শত লোক। অন্ধকার মেট্রো টানেলে পায়ে হেঁটে বের হতে ভোগান্তিতে পড়তে হয় তাদের।
গোটা দেশের ৯৫ ভাগ পরিষেবা চালু করতে অন্তত তিন ঘণ্টা সময় অপেক্ষা করতে হয় ইকুয়েডরকে।
রাজধানী কুইটোতে প্রায় ত্রিশ লাখের বসবাস। বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের ফলে শহরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মোড়ে মোড়ে পুলিশ মোতায়েন করে সরকার। রাতে যে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ক্লাস হয়, সব বাতিল ঘোষণা করে কুইটোর শহর কর্তৃপক্ষ। প্রায় এক ঘণ্টা পর রাজধানীর কয়েকটি স্থানে ধীরে ধীরে বিদ্যুৎ ফিরতে শুরু করে।
ইকুয়েডরের জ্বালানিমন্ত্রী রবার্তু লুক জানান, ‘জাতীয় গ্রিডে বিপর্যয়ের কারণে ফলে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে সারাদেশে।’
গত এপ্রিল মাসেও জাতীয় গ্রিডে বিপর্যয়ের শিকার হয় ইকুয়েডর। দেশটির ৯৫ ভাগেরও বেশি বিদ্যুৎ আসে জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে। প্রাকৃতিক খরার কারণে জলবিদ্যুতের জলাধারগুলো শুকিয়ে যায় তখন। ওই সময় একটানা ১৩ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎহীন থাকতে হয়েছিল ইকুয়েডরকে।