‘দ্ব্যর্থহীনভাবে’ ইসরাইলের পাশে থাকবে যুক্তরাজ্য

ফিলিস্তিনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের হামলার পর ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ইউরোপসহ বিভিন্ন দেশের নেতাদের সঙ্গে কথা বলেছেন। তিনি ঘটনা জানিয়ে সহায়তা চাচ্ছেন।

বিবিসি বলছে, নেতানিয়াহু এখনও পর্যন্ত ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি, জার্মান চ্যান্সেলর ওলাফ শলৎজ, ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাকসহ বেশ কয়েকজন বিশ্বনেতার সঙ্গে কথা বলেছেন।

এরমধ্যে ঋষি সুনাক জানিয়েছেন, ‘দ্ব্যর্থহীনভাবে’ ইসরাইলের পাশে থাকবে যুক্তরাজ্য।

দুই নেতার মধ্যে ফোনালাপের পর ডাউনিং স্ট্রিট এক বিবৃতিতে বলেছে, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক নেতানিয়াহুকে ইসরায়েলের যে কোনো প্রয়োজনে সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছেন। এছাড়া ইসরায়েলের পক্ষে বিশ্বমত গড়তে ব্রিটেন কাজ করবে বলেও আশ্বাস দিয়েছে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ইসরাইলকে ‘অতিরিক্ত সহায়তা’ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিনকেন জানান, ‘দ্রুতই এই সহায়তা ইসরাইলকে’ দেওয়া হবে।

israil2

এছাড়া হোয়াইট হাউসের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ইসরায়েলের জন্য ‘অতিরিক্ত সহায়তার নির্দেশনা’ দিয়েছেন।

শনিবার ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী দল হামাস হঠাৎ করেই ইসরাইলে এ বছরের সবচেয়ে বড় হামলা চালিয়েছে।

রোববার ইসরাইলি অবস্থান লক্ষ্য করে হামলা চালায় লেবাননভিত্তিক শিয়াপন্থি সশস্ত্র সংগঠন হিজবুল্লাহ।

ইরান সরকারের পাশাপাশি হিজবুল্লাহও ফিলিস্তিনি যোদ্ধাদের অভিনন্দন জানিয়েছে এবং ফিলিস্তিন ও জেরুজালেমের মুক্তি না হওয়া পর্যন্ত ফিলিস্তিনি যোদ্ধাদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

অপরদিকে হামলা চালানো শতাধিক ফিলিস্তিনি বন্দুকধারীকে হত্যার দাবি করেছে ইসরাইল সেনাবাহিনী। বেশ কয়েকজনকে বন্দি করার কথাও তারা জানিয়েছে।

শনিবার ভোরে গাজা থেকে হামাসের হামলার প্রতিশোধ নিতে ওই দিনই প্রবল আক্রমণ শুরু করেছে ইসরাইল। গাজার চিত্র পুরোপুরি পাল্টে দেওয়ার হুঙ্কার দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইওয়াভ গ্যালান্ত।