বাড়ির সিঁড়িতে বসায় এক থাই নারীকে লাথি মেরেছেন সুইস নাগরিক। এ ঘটনায় তার ভিসা বাতিল করেছে দেশটির প্রশাসন।
অভিযুক্ত উরস ফেহর এবং তার থাই স্ত্রী খানুয়েংনিট বলেছেন, তারা ভেবেছিলেন ওই নারী (থান্ডাও চন্দম) তাদের সম্পত্তিতে অনুপ্রবেশ করছে। পরে তারা ক্ষমা চেয়েছেন। কিন্তু লাথি মারার ঘটনা ঘটেনি।
ওই সুইস নাগরিক থাইল্যান্ডের একটি হাতির অভয়ারণ্যের ব্যবস্থাপনা পরিচালক।
বিবিসি জানিয়েছে, রোববার শত শত বিক্ষুব্ধ স্থানীয় তাদের (উরস ফেহর) সমুদ্রতীরবর্তী বাড়ির সামনে জড়ো হয়ে দেশ থেকে বের করে দেয়ার দাবি তোলে ।
ব্যাংকক পোস্টের প্রতিবেদন বলা হয়ে, সুইস নাগরিক উরস ফেহর দাবি করেছেন, তিনি ওই থাই নারীকে লাথি মারেননি বরং তার কাছে আসার সময়ে পা পিছলে যায়।
থাইল্যান্ডের পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মতে, ফুকেটে এক লাখের বেশি বিদেশি বসবাস করেছে বলে অনুমান করা হয়। ঘটনাটি স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের জন্ম দেয় এবং ওই ব্যক্তির ভিসা বাতিলের দাবি তোলা হয়।
ভুক্তভোগী থান্ডাও চন্দম, এই ঘটনার বিষয়ে পুলিশের কাছে লাঞ্ছিত হওয়ার অভিযোগ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, বন্ধুকে নিয়ে সিঁড়িতে বসে থাকায় তাকে লাথি মারা হয় এবং তিরস্কার করা হয়।
পুলিশ তদন্তে দেখেছে, ওই বাড়ির সিঁড়ি গুলি সরকারি জমিতে অবৈধভাবে নির্মাণ করা হয়েছিলো। সেগুলো ভেঙে ফেলার নির্দেশ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
থাই অভিবাসন কর্মকর্তারা বলেছেন, তারা ফেহরকে আটক করবেন, তবে মামলায় আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য তিনি আপাতত থাইল্যান্ডে থাকতে পারবেন।
প্রধানমন্ত্রী স্রেথা থাভিসিন ঘটনার পর বলেছেন, পুলিশ এবং পর্যটন মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছেন যাতে বিদেশিরা থাইল্যান্ডের আইন মেনে চলে।