‘যুদ্ধবিরতির আগে ইসরাইলকে নিরাপত্তার আশ্বাস দিতে হবে’

অবরুদ্ধ গাজায় সম্ভাব্য রাজনৈতিক যুদ্ধবিরতির আগে ইসরাইলকে নিরাপত্তার আশ্বাস দিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেমস ক্লেভারলি। এতে গাজার দুর্ভোগও কিছুটা লাঘব হবে বলে মনে করেন তিনি।

সংবাদমাধ্যমে ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেছেন, গাজার ফিলিস্তিনিদের দুর্দশা কমানোর চেষ্টা করছে যুক্তরাজ্য। খবর: আল-জাজিরা।

গাজার মানবিক পরিস্থিতি নিয়ে তার দেশ ইসরাইলকে অবগত করেছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। 

এর আগে, ইসরাইলি বাহিনী জানিয়েছিল, যুদ্ধবিরতির সময় শেষ। ত্রিমুখী স্থল অভিযান চালাতে প্রস্তুত নেতানিয়াহুর সরকার।

এদিকে, গাজায় ইসরাইলি সেনাদের সঙ্গে হামাস যোদ্ধাদের যুদ্ধের প্রস্তুতি চলছে। ফিলিস্তিনের গাজায় সোমবার বোমাবর্ষণের তীব্রতা বাড়িয়েছে ইসরাইল। একই সঙ্গে দেশটির সেনারা গাজায় সীমিত স্থল অভিযান পরিচালনার সময় হামাস যোদ্ধাদের সঙ্গে খণ্ডযুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছিল।

গাজা কর্তৃপক্ষ বলছে, দুই সপ্তাহ ধরে ইসরাইলি বোমা বর্ষণে ৫ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।

গাজায় পরিস্থিতি অবনতির দিকে যাওয়ায় সেখানে মানবিক যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘের কয়েকটি সংস্থা। জাতিসংঘের পাঁচটি সংস্থার মধ্যে ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রাম (ডব্লিউএফপি) এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এক যৌথ বিবৃতিতে গাজার পরিস্থিতি ‘বিপর্যয়কর’ বলে বর্ণনা করেছে।

যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানানোর পাশাপাশি সংস্থাগুলো বলেছে, গাজায় অবিলম্বে এবং অবাধে মানবিক ত্রাণকাজের জন্য প্রবেশ করতে দেওয়া জরুরি। যাতে ত্রাণকর্মীরা সাধারণ মানুষের প্রয়োজন মেটাতে তাদের কাছে পৌঁছতে পারে। গাজার ১৬ লাখেরও বেশি মানুষের জরুরি মানবিক সহায়তা প্রয়োজন বলে জানায় তারা।