আমরা কেউ সন্দেহের বাইরে নই: স্বাস্থ্য শিক্ষা সচিব

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে ১৭ নথি গায়েবের ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় নেওয়ার কথা জানিয়ে স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব মোঃ আলী নূর বলেছেন, নথিগুলোতে তেমন গোপনীয় কোনো কিছু নেই। তবে এ ধরনের ঘটনা উদ্বেগজনক।

রোববার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা জানান। সচিব বলেন, নথির সব কম্পিউটারেও আছে, ডিজি অফিসেও আছে। মূল বিষয় হচ্ছে ফাইল মিসিং হওয়া। সেটিই সবচেয়ে বড় বিষয়। নথিগুলো উদ্ধারের চেষ্টা করা হচ্ছে।

নথি গায়েবের ঘটনায় কাউকে সন্দেহ করেন কিনা, এমন প্রশ্নে সচিব বলেন, ‘সন্দেহের বিষয়টা তো এখন বলা কঠিন। কারণ, আমরা তো সত্যিকারভাবেই আসলে জানি না, কে এই কাজটি করেছে। আমি তো মনে করি যে, আমরা সবাই সন্দেহের মধ্যেই আছি’।

আরও পড়ুন: নথি গায়েব: ছয় কর্মচারিকে নিয়ে গেছে সিআইডি

তিনি আরো বলেন, ‘আমি নথি হারানোর বিষয়টি বৃহস্পতিবার জানতে পেরেছি। জানার পর পুলিশকে জানিয়েছি। পরে, সিআইডিকে বিষয়টি টেকওভার করতে বলেছি। তাদের বলা হয়েছে, আপনাদের যাকে যাকে মনে হয়, জিজ্ঞাসাবাদ করেন। কারও কোনও আপত্তি থাকবে না।

সচিব আলী নূর জানান, মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটিকে পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ সপ্তাহের মধ্যেই প্রতিবেদন পাওয়া যাবে। 

সচিব বলেন, ‘কমিটি কাজ শুরু করেছে। আমরা আশা করছি, খুব শিগগিরই একটি তথ্য জানতে পারবো, কারা কীভাবে কাজটি করেছে এবং কেন করেছে’।

উল্লেখ্য, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যশিক্ষা বিভাগের ১৭টি নথি গায়েবের ঘটনায় গত বৃহস্পতিবার রাজধানীর শাহবাগ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) হয়েছে। 

এরপর নথি গায়েব বা খোয়া যাওয়ার ঘটনা তদন্তে রোববার সকালে সচিবালয়ে যায় সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিট। 

সেখানে কর্মরতদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন সিআইডি কর্মকর্তারা। এরপর ওই বিভাগের ছয় কর্মচারীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সিআইডি কার্যালয়ে নিয়ে গেছেন তারা। 


একাত্তর/এআর