স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে পরিবহন নেতাদের বৈঠকে সমঝোতা হয়নি

কোনো সিদ্ধান্ত সমঝোতা ছাড়াই শেষ হলো স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সঙ্গে বাংলাদেশ ট্রাক-কাভার্ডভ্যান মালিক সমিতির নেতাদের অনানুষ্ঠানিক বৈঠক।

মন্ত্রীর ধানমন্ডির বাসভবনে শনিবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে তারা বৈঠক করলেও ধর্মঘট প্রত্যাহারের বিষয়ে সমঝোতা হয়নি।

বৈঠক শেষে মন্ত্রীর বাসভবন থেকে বেরিয়ে ট্রাক-কাভার্ডভ্যান মালিক-শ্রমিক সমিতির নেতারা জানান, জ্বালানি তেলের দাম না কমানো পর্যন্ত ধর্মঘট চলবে।

বেলা সাড়ে ১১টার দিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাসায় তারা যান। পরে তারা বৈঠকে বসেন। এক পর্যায়ে মন্ত্রী-নেতাদের কথা শোনেন এবং আশ্বাস দেন।

বৈঠক শেষে মালিক-শ্রমিক পরিষদের অতিরিক্ত মহাসচিব আব্দুল মোতালেব বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে কথা বলে দাবির বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানাবেন। দাবি মানা হলে পরিবহন ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হবে।

তিনি আরও বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আমাদের আশ্বস্ত করে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী বর্তমানে দেশের বাইরে আছেন। তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে যৌক্তিক দাবির বিষয়ে জানাবেন। এরপর আমাদের সঙ্গে মন্ত্রী আজ সন্ধ্যায় অথবা রোববার আবারও বসে সিদ্ধান্ত নেবেন।

আরও পড়ুন: কমলাপুরে যাত্রী ভিড়, রোববার পর্যন্ত আগাম টিকেট শেষ

আর, ট্রাক-কাভার্ডভ্যান মালিক শ্রমিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক তালুকদার মোহাম্মদ মনির বলেন, ‘হঠাৎ করে তেলের দাম বাড়ায় আমাদের লোকসান হচ্ছে। এতে করে ঢাকা-চট্টগ্রাম প্রতি ট্রিপে আমাদের তিন হাজার টাকা করে লোকসান গুনতে হচ্ছে। ফলে ডিজেলের দাম না কমালে ধর্মঘট প্রত্যাহার নয়’।

তিনি জানান, বৈঠকে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারসহ আরও দুটি দাবির কথা জানিয়েছেন তারা। অপর দুই দাবি হলো পণ্যবাহী ট্রাক-কাভার্ডভ্যান থেকে চাঁদা আদায় বন্ধ করা এবং বিভিন্ন ব্রিজের বাড়তি টোল আদায় বন্ধ করা। দাবিগুলো না মানলে ধর্মঘটও প্রত্যাহার করা হবে না বলেও জানান সমিতির সাধারণ সম্পদক।

বুধবার (৩ নভেম্বর) মধ্যরাত থেকে জ্বালানি তেলের মূল্য প্রতি লিটার ১৫ টাকা বৃদ্ধি করেছে সরকার। দাম বাড়ানোর প্রতিবাদে শুক্রবার ভোরবেলা থেকে পরিবহন মালিকরা তেলের দাম কমানো বা ভাড়া বাড়ানোর দাবিতে ধর্মঘট শুরু করেন।


একাত্তর/টিএ