ডিজেলের দাম লিটারে ১৫ টাকা বাড়ার কারণে যাত্রী প্রতি বাসগুলোর জ্বালানি খরচ বাড়বে ১০ কিলোমিটারে ৯৩ পয়সা। ট্রাকের ক্ষেত্রে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত পাঁচ টনের ট্রাকে কেজি প্রতি খরচ বাড়বে ১৮ পয়সা।
এমন হিসাব দিয়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু জানান, এই হিসাব আমলে নিয়ে ভাড়া বাড়ানো হলে, তা জনজীবনে খুব একটা প্রভাব ফেলবে না। খরচ বৃদ্ধির সুনির্দিষ্ট এই হিসাব সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।
দেশে ডিজেলের দাম লিটারে ১৫ টাকা বেড়ে ৮০ টাকা হয়েছে। যা ভারতের পশ্চিমবঙ্গের তুলনায় এখনও প্রায় ২২ টাকা কম। আর ভারতের অন্যান্য রাজ্যের সাথে এই পার্থক্য সর্বোচ্চ ৩০ টাকা।
দেশের বাজারে দাম বাড়ার কারণে চলছে অঘোষিত পরিবহন ধর্মঘট। বরাবরই গ্যাস ও তেলের দাম বাড়লে অস্বাভাবিক আকারে বাড়ে পরিবহন ভাড়া।
তাই এবার জ্বালানি মন্ত্রণালয় হিসাব করে বলছে, ডিজেলের দাম ১৫ টাকা বাড়লে ১০ কিলোমিটারে যাত্রী প্রতি বাসগুলোর খরচ বাড়বে ৯৩ পয়সা।
এই হিসাব এরিমধ্যে সড়ক পরিবহন মন্ত্রনালয়ে পাঠানো হয়েছে বলে জানালেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি জানান, এই হিসাব নিয়ে ভাড়া সমন্বয় হলে খুব বেশি বাসভাড়া বাড়বে না।
শুধু যাত্রী নয় পণ্য পরিবহনে খরচ কতোটা বাড়বে তারও হিসাবও দিয়েছে জ্বালানি বিভাগ। পাঁচ টনি ট্রাকের বেলায় ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত কেজি প্রতি খরচ বাড়বে ১৮ পয়সা।
পরিবহনের ভাড়া নির্ধারনের ক্ষেত্রে খরচ বৃদ্ধির যৌক্তিক হিসাব বিবেচনা করা হলে জনগণের ওপর বড় কোন নেতিবাচক প্রভাব পড়বেনা বলেও মনে করেন জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী।
তিনি বলেন, সার্বিক প্রেক্ষাপটবিবেচনা করে বৃহত্তর জাতীয় স্বার্থে সরকার ৪ নভেম্বর দেশে ডিজেল ও কেরোসিনের মূল্যপুনর্নির্ধারণ করেছে। যদিও আশপাশের অন্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশে ডিজেলের মূল্যএখনো কম।
নসরুল হামিদ আরও বলেন, আমাদের ইলেকট্রিক যানবাহনের দিকে যেতে হবে। বিশেষ করেপাবলিক পরিবহনগুলো ইলেকট্রিক করা গেলে, দেশে পরিবেশবান্ধব যানবাহন নিশ্চিত হবে।ইলেকট্রিক যানবাহনের ইঞ্জিনের দক্ষতাও বেশি, সাশ্রয়ীও। তেল আমদানি খরচও কমে যাবে।
একাত্তর/এসএ