সারাদেশে তৃতীয় দিনের মতো ধর্মঘট অব্যাহত রেখেছেন পরিবহন মালিকরা। জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর প্রতিবাদ এবং ভাড়া বৃদ্ধির দাবিতে তারা পণ্য ও গণপরিবহন চলাচল বন্ধ করেছেন। ফলে ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।
শুক্র ও শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটি শেষে রোববার (৭ নভেম্বর) সব ধরনের কর্মস্থল ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা থাকায় এবং গণপরিবহন না চলায় সকাল থেকে বিপাকে মানুষ। রাজধানীসহ সারাদেশে পায়ে হেঁটে বা অতিরিক্ত ভাড়ায় দুই চাকার যানে কাজে যোগদান করতে দেখা গেছে কর্মজীবীদের। এতে সময়ও বেশি লাগছে বলে অভিযোগ তাদের।
চট্টগ্রামে ৭টির মধ্যে ৫টি সংগঠন ধর্মঘট প্রত্যাহার করলেও গাড়ির উপস্থিতি কম। তাছাড়া জেলার যেসব সড়কে পরিবহন চলছে তাতে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। অনেকক্ষেত্রে দ্বিগুণেরও অধিক ভাড়া তোলা হচ্ছে।
রাজধানীতে গণপরিবহন চলাচল না করলেও ব্যক্তিগত গাড়ির উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো। তাছাড়া মোটরসাইকেল ও রিকশাসহ ছোট যানগুলো রীতিমতো সড়কের দখল নিয়েছে। সকাল থেকে মিরপুর, বিজয় সরণী, ফার্মগেট, কল্যাণপুরের বিভিন্ন এলাকায় থেমে থেকে জ্যাম লাগতে দেখা গেছে।
আরও পড়ুন: ইউপি নির্বাচন: রূপগঞ্জে প্রতিপক্ষের গুলিতে নিহত এক, আটক পাঁচ
অন্যদিকে লঞ্চ মালিকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে লঞ্চ চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। ভাড়া বৃদ্ধির ঘোষণা আসলে আবার লঞ্চ চলাচল করবে।
একাত্তর/আরএ