ভক্ত-বন্ধু-স্বজনের ভালোবাসায় সিক্ত হলেন জাতীয় অধ্যাপক ও নজরুল গবেষক রফিকুল ইসলাম। অন্তিম যাত্রায় তার সঙ্গী হলো ভক্তদের ভালোবাসা আর অশ্রুজল।
বুধবার (১ ডিসেম্বর), কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শোকাতুর মনে প্রিয় শিক্ষক, আজীবন শিক্ষার দীপ জ্বেলে যাওয়া জাতীয় অধ্যাপককে শেষ বিদায় জানান বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
এক জীবনে মানুষ কতোটা কর্মময় হতে পারেন, কতোটা বিস্তৃত হতে পারে তার কাজের গণ্ডি, তার অনন্য উদাহরণ হতে পারে জাতীয় অধ্যাপক রফিকুল ইসলামের জীবন।
শোকের কালো রঙের মঞ্চে যখন তাঁর কফিন শহীদ মিনার চত্বরে, তখন ঢল নামে শোকার্ত মানুষের। সবাই জড়ো হন একজন গবেষক, শিক্ষাবিদকে দেখতে, তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে।
তার মরদেহ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নেওয়ার পর প্রথমে রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদের পক্ষে কফিনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়। এরপর শ্রদ্ধা জানানো হয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে।
আরও পড়ুন: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জাতিকে দিয়েছে গর্ব ও গৌরব: রাষ্ট্রপতি
শ্রদ্ধা জানানো মিছিলে সাধারণের সাথে এক কাতারে শামিল হয়েছেন রাজনৈতিক নেতা থেকে সংস্কৃতিকর্মীরা। আরো ছিলেন তাঁর দীর্ঘদিনের সহকর্মীরা।
কেউ নীরবে কেঁদেছেন, কেউ বা দাঁড়িয়ে প্রিয় লেখকের স্মৃতিচারণ করেছেন। আর উপস্থিত সবার কাছে রফিকুল ইসলামের জন্য দোয়া চান তার ছেলে বর্ষণ ইসলাম।
প্রথমে বাংলা একাডেমি ও পরে শহীদ মিনারে রাখার পর, বিকেল তিনটায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে তার মরদেহ নেয়া হয়।
সেখানে শ্রদ্ধা নিবেদন এবং জানাজা শেষে আজিমপুর কবরস্থানে শায়িত হন ভাষাসংগ্রামী জাতীয় অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম।
একাত্তর/এসজে