রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদের সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করতে বঙ্গভবনে প্রবেশ করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ অন্য কমিশনাররা। প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদার নেতৃত্বে বিদায়ী নির্বাচন কমিশনাররা বঙ্গভবনে যান।
রোববার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার তারা বঙ্গভবনে প্রবেশ করেন।
সাক্ষাতকালে তারা কমিশনের নির্বাচনী কার্যক্রমসহ তাদের গৃহীত বিভিন্ন কার্যক্রম ও উন্নয়ন পরিকল্পনা সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন। তারা দায়িত্ব পালনে রাষ্ট্রপতির সহযোগিতা ও দিক নির্দেশনার জন্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।
এ সময় প্রধান নির্বাচন কমিশনার গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ ও জাতীয় সংসদের নির্বাচনী এলাকার সীমানা নির্ধারণ আইন ২০২১ এর বাংলা পাঠ রাষ্ট্রপতিকে হস্তান্তর করেন। এছাড়া রাষ্ট্রপতিকে বীর মুক্তিযোদ্ধা সম্বলিত জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদান করা হয়।
রাষ্ট্রপতি বলেন, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নির্বাচন একটি গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম। নির্বাচন পরিচালনায় নির্বাচন কমিশন মুখ্য ভূমিকা পালন করে। একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানে রাজনৈতিক দল ও জনগণের সহযোগিতা অপরিহার্য। তাই নির্বাচন কমিশনকে নির্বাহী বিভাগ, রাজনৈতিক দল ও জনসাধারণের সহযোগিতা নিয়ে এই কাজটি সম্পন্ন করতে হবে। রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করেন ভবিষ্যতে সকল রাজনৈতিক দল ও জনগণের সহযোগিতায় নির্বাচন কমিশন স্থানীয় পর্যায়সহ সকল নির্বাচন আরো সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্যভাবে অনুষ্ঠানে সক্ষম হবে।
২০১৭ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদাসহ চারজন নির্বাচন কমিশনার নিয়ে গঠিত হয় দেশের ১২তম নির্বাচন কমিশন।
আরও পড়ুন: সফলভাবে দায়িত্ব পালন করেছি: সিইসি
রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব সম্পদ বড়ুয়া, সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এস এম সালাহ উদ্দিন ইসলাম, রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মোঃ জয়নাল আবেদীন, সচিব (সংযুক্ত) মোঃ ওয়াহিদুল ইসলাম খান এবং নির্বাচন কমিশনের সচিব মোঃ হুমায়ুন কবীর খোন্দকার এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
নানা আলোচনা-সমালোচনার মধ্য দিয়ে আগামীকাল (১৪ ফেব্রুয়ারি) দায়িত্ব শেষ হবে বর্তমান নির্বাচন কমিশনের। দায়িত্ব শেষ হওয়ার আগে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে এটি বর্তমান কমিশনের বিদায়ী সাক্ষাৎ।
একাত্তর/এসি