জুনের শুরু মানেই বর্ষার শুরু। এ সময় এলেই মানুষের অপেক্ষা বেড়ে যায় আবহাওয়া দপ্তর থেকে বর্ষার পূর্বাভাস জানান। কারণে, বর্ষার সঙ্গে বাঙালির রয়েছে রোমান্টিক সম্পর্ক।
এবার বৃষ্টি নিয়েই শুরু হয়েছে বর্ষা। কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতিভারী বর্ষণের সম্ভাবনা নিয়ে শুরু হয়েছে বর্ষা মৌসুম।
তবে বর্ষা মৌসুমের কাঙ্ক্ষিত বৃষ্টির সঙ্গে থাকছে বন্যারও পূর্বাভাস। সেই সঙ্গে ভ্যাপসা গরমের কথাও জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। বলছে, সারাদেশেই থাকবে তাপপ্রবাহ।
শনিবার (৪ জুন) এক বিজ্ঞপ্তিতে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, সারাদেশে মৌসুমি বায়ু (বর্ষাকাল) বিস্তার লাভ করেছে। যা দেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং সাগরে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।
ফলে ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, ময়মনসিংহ ও রংপুর, বরিশাল বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
সেই সঙ্গে হতে পারে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি। তবে চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতিভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে।
সমুদ্রবন্দরগুলো, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
যে কারণে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরগুলোতে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
জুন মাসে বঙ্গোপসাগরে একটি বা দুটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। যার মধ্যে একটি মৌসুমি নিম্নচাপে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
আবহাওয়াবিদরা বলছেন, বাতাসে পর্যাপ্ত জলীয় বাষ্প থাকার কারণে বৃষ্টি না হলে কোন কোন এলাকায় গরম অনেক বেড়ে যাবে। তীব্র না হলেও মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাবার সম্ভাবনা রয়েছে।
বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, এখন মৌসুমের স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত হচ্ছে। কোথাও কম হবে, কোথাও বেশি হবে।
আসাম, মেঘালয় ও হিমালয় পাদদেশীয় পশ্চিমবঙ্গের কিছু জায়গাতেও বৃষ্টি হচ্ছে। ইতোমধ্যে গঙ্গা-পদ্মা ছাড়া দেশের সব প্রধান নদ-নদীর পানির সমতল বাড়ছে।
এই অবস্থা অপরিবর্তিত থাকলে চলতি সপ্তাহে সিলেট, সুনামগঞ্জ, রংপুর, লালমনিহাট, নীলফামারীতে বন্যা হতে পারে। সে রকম সম্ভাবনা রয়েছে।
একাত্তর/এসজে