ঈদ সামনে রেখে সড়ক, নৌ ও রেল বন্ধের চাপ পড়েছে আকাশ পথে। প্রতিদিনই উড়োজাহাজে ঢাকা ছাড়ছে সামর্থ্যবান নাগরিকরা।
এরিমধ্যে ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত সব ফ্লাইটের টিকেট বিক্রি হয়ে গেছে। চাহিদা বাড়ার সুযোগে টিকেটের দাম দ্বিগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে এয়ার লাইনসগুলো।
করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে যখন বন্ধ সড়ক, রেল ও নৌপথ, তখন প্রায় স্বাভাবিক আকাশপথ। কক্সবাজার ছাড়া অভ্যন্তরীণ ৬টি রুটে ৫২টি ফ্লাইট চলছে প্রতিদিন।
এরমধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ১৬টি, নভো এয়ার ও ইউএস বাংলার ১৮টি করে ফ্লাইট বিভিন্ন রুটে চলাচল করছে প্রতিদিন।
প্রিয়জনের সাথে ঈদ করতেই হবে, এমন মরিয়া হয়ে পরিবার-পরিজন নিয়ে সামর্থবান ব্যক্তিরা ভিড় করছেন উড়োজাহাজে। প্রতিনিয়তই আকাশপথে যাত্রীচাপ বাড়ছে।
ইতিমধ্যেই শেষ হয়ে গেছে ১৩ এপ্রিলের টিকেটও। ঈদের পরের অনেক দিনের টিকেট এখন সোনার হরিণ। তারপরও চাহিদার কোন কমতি নেই।
যাত্রীরা বলছেন, আকাশপথে স্বাস্থ্যবিধি মানতেই হচ্ছে। সেসঙ্গে সময়ও অনেক কম লাগে। তাই বেশি খরচ হলেও তারা প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদ করতে আকাশপথই বেছে নিয়েছেন।
আর এই সুযোগে টিকেটের দামও বাড়িয়ে দিয়েছে এয়ারলাইন্সগুলো। দ্বিগুণ, কোন কোন ক্ষেত্রে তিনগুণও আদায় করা হচ্ছে যাত্রীদের থেকে।
তারা বলছেন, টিকেটের দাম নিয়ে কোন নীতিমালা না থাকায় যেমন খুশি তেমন রাখছে উড়োজাহাজ সংস্থাগুলো। দাম বাড়লেও একটা নিয়মের মধ্যে থাকা উচিৎ।
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ বলছে, যেহেতু স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে তাই অনেকটাই নিরাপদ আকাশপথ। তাই চাপও বেড়েছে কয়েকগুণ। তবে অতিরিক্ত ভাড়া যাতে আদায় করা না হয়, সেজন্য নির্দেশনা রয়েছে।
করোনা সংক্রমণ রোধে ৪ এপ্রিল থেকে দেশের অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট বন্ধ ছিল। ২১ এপ্রিল থেকে সীমিত পরিসরে চালু হয় ফ্লাইট।