প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বৈশ্বিক কারণে তৈরি হওয়া সঙ্কটে সরকার মানুষের কষ্ট কমাবার চেষ্টা করছে। কিন্তু জ্বালানির দাম বাড়ার অজুহাতে নিত্য প্রয়োজনীয় কিছু পণ্যের অতিরিক্ত দাম বাড়ানো হচ্ছে। বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমা মাত্রই বাংলাদেশে সমন্বয় করা হবে।
রোববার (১৪ আগস্ট) সকালে গণভবনে আট বিভাগে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদকদের সঙ্গে আলোচনাসভায় তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিরোধী দলের আন্দোলন বা গ্রেপ্তার না করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
শেখ হাসিনা বলেন, রুশ-ইউক্রেনের যুদ্ধ আর রাশিয়ার ওপর আমেরিকার অবরোধ আরোপের জেরে বিশ্বজুড়েই মানুষ ভুক্তভোগী। যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশেও। কিন্তু এই সঙ্কটকে পুঁজি করে কিছু মানুষ প্রয়োজন-অপ্রয়োজনে নিত্য পণ্যের দাম বাড়াচ্ছে।
আওয়ামী লীগ দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করতে যে সমস্ত ওয়াদা করেছিল সেগুলো সম্পন্ন করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, বৈশ্বিক সঙ্কট তৈরি না হলে বাংলাদেশ সমস্যায় পড়তো না। তারপরও মানুষের কষ্ট কমানোর যথাসাধ্য চেষ্টা করছে সরকার।
এ সময় বিরোধীদলগুলোর আন্দোলনে কোনো বাধা না দেওয়া বা গ্রেপ্তার না করার নির্দেশ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আন্দোলন করতে গিয়ে যাতে মানুষের দুর্ভোগ না বাড়ে সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে।
বিরোধীদের আন্দোলনের সফলতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে তিনি বলেন, কিন্তু তারা যেভাবে করতে চাচ্ছে তাতে তাদের জন্য আরও, দেশের জন্যই আরও ক্ষতি হবে। কিন্তু আমরা সেটা সামাল দিতে পারবো। এটা বিশ্বাস আমার আছে।
আরও পড়ুন: ১৪ আগস্ট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও রাজধানীতে মহড়া দেয় খুনিরা
বিদ্যুতের ব্যবহার সীমিত করার তাগিদ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আর হয়তো কিছু কাল আমাদের কষ্ট করতে হবে। আমাদের বিশেষ করে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো সেগুলো যখন এসে যাবে তখন আমাদের বিদ্যুতের সমস্যাটা অনেকটা দূর হবে।
সভায় ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট পরিবারের অধিকাংশ সদস্যদের নির্মমভাবে হত্যা করার কথাও তুলে ধরেন বঙ্গবন্ধু কন্যা।
তিনি বলেন, আমার শুধু একটাই প্রশ্ন আমার বাবা, মা, ভাইরা কি অপরাধটা করেছিল? কেন এভাবে হত্যা করা হলো?
একাত্তর/এসি