চুরি ও গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে করা মামলায় গ্রেপ্তারকৃত প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক রোজিনা ইসলামকে কাশিমপুর কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৮ মে) রাতে একাত্তরের সংবাদ বিস্তারে যুক্ত হয়ে রোজিনার আইনজীবী এহসানুল হক সমাজী বলেন, দণ্ডবিধির ৩৭৯ ও ৪১১ ধারায় অর্থাৎ চুরি ও চোরাই মাল উদ্ধার এবং সেই সাথে অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট ১৯২৩ এর সেকশন ৩ ও ৫ (গুপ্তচরবৃত্তি ও তথ্যের ভ্রান্ত যোগাযোগ) এর অধীনে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
এর আগে মঙ্গলবার সকালে শাহবাগ থানা থেকে আদালতে হাজির করা হয় রোজিনাকে। এসময় আদালতের কাছে ৫ দিনের রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ। এ আবেদন নাকচ করে দেয় আদালত। একইসাথে আগামী বৃহস্পতিবার (২০ মে) রোজিনার জামিন আবেদনের শুনানির দিন ধার্য করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয় আদালত।
আইনজীবী এহসানুল হক সমাজী বলেন, অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট ১৯২৩ সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক। সংবিধানে বর্ণিত মৌলিক অধিকার ও তথ্য অধিকার আইনের কিছু ধারা ও বক্তব্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এই অ্যাক্টটি।
তিনি আরও বলেন, একের পর এক দূর্নীতি বিরোধী খবর প্রকাশ করায় রোজিনা একটি মহলের ষড়যন্ত্রের শিকার।
মামলার দুর্বলতা তুলে ধরে রোজিনার আইনজীবী বলেন, 'কথিত এজাহারে যে গুরুত্বপূর্ণ দলিলাদি রোজিনার কাছ থেকে উদ্ধারের কথা বলা হয়েছে, তার কোনো বিবরণও নেই। এবং জব্দ তালিকা অনুযায়ী এরকম কোনো দলিল রোজিনার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে বলেও উল্লেখ নেই'।
মঙ্গলাবার আদালতে এই মামলার বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয় উল্লেখ করে রোজিনার আইনজীবী বলেন, এই মামলাটি কর্তব্যরত একজন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে আইন ও ক্ষমতার অপব্যবহার।
একাত্তর/জো