ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল হক খান জাতীয় সংসদকে জানিয়েছেন, ২০২৩ সালে দেশের সম্ভাব্য হজযাত্রীর কোটা এক লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন। যা গতবারের চেয়ে দ্বিগুণের বেশি।
রোববার (৮ জানুয়ারি) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে এম আব্দুল লতিফের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে এই প্রশ্নোত্তর পর্ব হয়।
ধর্ম প্রতিমন্ত্রী জানান, ২০২২ সালে বিশ্বের ১০ লাখ মুসলমান হজে অংশ নেওয়ার সুযোগ পান, তাদের মধ্যে বাংলাদেশিদের কোটা ছিল ৬০ হাজার ১৪৬ জনের।
তিনি জানান, করোনাভাইরাসের প্রকোপ অনেকটা কমে আসায় গতবারের তুলনায় দ্বিগুণ বাংলাদেশি এবছর হজের সুযোগ পেতে পারেন।
আরও পড়ুন: কামাল হোসেনের জোটে যাওয়া বড় ভুল ছিল: কাদের সিদ্দিকী
মহামারীর বিধিনিষেধের মধ্যে পরের দুই বছর হজ সীমিত পরিসরে হয়। ২০২০ সালে কেবল সৌদি আরবে অবস্থানরত ১০ হাজার বিদেশিকে হজের সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। ২০২১ সালে তা বেড়ে হয় ৬০ হাজার।
পরিস্থিতির উন্নতি হলে ২০২২ সালে কিছুটা বড় পরিসরে হজ হয়। বিশ্বের ১০ লাখ মুসলমান গতবছর হজে অংশ নেওয়ার সুযোগ পান।
একাত্তর/এসি