পদ্মা সেতুতে বাইক চলবে বৃহস্পতিবার থেকে

বাইক চলাচলের জন্য খুলে দেয়া হচ্ছে পদ্মা সেতু। বৃহস্পতিবার থেকে বাইকে করে পাড়ি দেয়া যাবে দেশের দীর্ঘতম এই সেতু।

ঈদ সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বৃহস্পতিবার ভোর ছয়টা থেকে পদ্মা সেতুতে মোটরসাইকেল চলার অনুমতি দেয়া হয়েছে বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন সড়ক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

তিনি জানান, পদ্মা সেতুতে চলাচলের জন্য বাইক চালকদের মানতে হবে নিয়ম। সেতুর বাম পাশের সার্ভিস লেন দিয়ে চালাতে হবে মোটরসাইকেল। গতি সীমা কোনোভাবেই ঘন্টায় ৬০ কিলোমিটারের বেশি ওঠানো যাবে না।

গত বছরের ২৬ জুন যান চলাচলের জন্য খুলে দেয়া হয় বহু আকাঙ্ক্ষিত পদ্মা সেতু। কিন্তু এর ২৪ ঘন্টার মধ্যেই সেতুতে বাইক চলাচল নিষিদ্ধ করা হয়।

যান চলাচল শুরুর দিনই বাইক দুর্ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। হাজার হাজার বাইকের চাপে সেতুতে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ অসম্ভব হয়ে ওঠে।

এই অবস্থার মধ্যে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগর একমাত্র ও প্রধান এই সেতুতে বাইক চালানো নিষিদ্ধ করা হয়।

এরপর বাইকারদের বিভিন্ন গ্রুপে ও ব্যক্তি পর্যায়ে পদ্মা সেতু মোটরসাইকেলের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়ার দাবি জানিয়ে আসছিলেন অসংখ্য মানুষ। উচ্চ আদালতে রিট পর্যন্ত করা হয়েছিল।

এবারের ঈদে পদ্মা সেতুর নীচ দিয়ে ফেরিতে করে বাইক পারাপারের ব্যবস্থা করা হয়। মঙ্গলবার ভোর থেকে শিমুলিয়া-মঙ্গলমাঝি নৌ রুটে ফেরিতে করে মোটরসাইকেল পার করা হচ্ছে।

এই অবস্থার মধ্যেই প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বাইক চলাচলের জন্য পদ্মা সেতু উন্মুক্ত করে দেয়ার ঘোষণা এলো।

আরও পড়ুন: শেখ হাসিনার গাড়িবহরে হামলায় চারজনের যাবজ্জীবন

গণভবনে ওবায়দুল কাদের কাদের বলেন, পরীক্ষামূলক ভাবে এই নির্দেশ দেয়া হয়েছে। কোনোভাবেই সার্ভিস লেনের বাইরে মূল সেতুতে মোটরসাইকেল আসতে পারবে না। নির্ধারিত হারে টোল দিতে হবে।

আর এসব নিয়মের ব্যত্যয় ঘটলেই পদ্মা সেতুতে বাইক চলাচলের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করা হবে বলেও সতর্ক করে দেন সেতুমন্ত্রী।

পদ্মা সেতু চালুর আগেই বিভিন্ন ধরনের যানবাহনের জন্য টোল নির্ধারণ করা হয়। একমুখী পারাপারের জন্য তখন মোটরসাইকেলের টোল ধরা হয়েছিল ১০০ টাকা।


একাত্তর/আরবি