জি-২০ সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে পৌঁছেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিশেষ ফ্লাইটটি শুক্রবার স্থানীয় সময় দুপুর পৌনে একটার দিকে নয়াদিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
এর আগে বেলা সোয়া ১১টার দিকে নয়া দিল্লির উদ্দেশে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে রওনা হন তিনি।
শনিবার সকাল থেকে নয়াদিল্লিতে শুরু হচ্ছে ১৭তম জি-২০ শীর্ষ সম্মেলন। জি-২০ গোষ্ঠীর সদস্য না হলেও দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে শুধু বাংলাদেশকেই ওই সম্মেলনে যোগ দেয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছে আয়োজক ভারত।
সম্মেলন শুরুর একদিন আগে ভারত পৌঁছে শুক্রবার বিকেলে দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠকে করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
এবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক হবে তার সরকারি বাসভবন, ৭ লোককল্যাণ মার্গে।
ভারতের আনন্দবাজার পত্রিকা লিখেছে, ‘কূটনৈতিক শিবিরের মতে, আন্তরিকতার বার্তা দিতেই এই গৃহঅভ্যর্থনার আয়োজন করা হয়েছে।’
দুই প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে কৃষি খাত, সংস্কৃতি ও টাকা-রুপির বিনিময় বিষয়ে তিনটি সমঝোতা স্মারক সই করা হবে। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ ও রেলপথের একাধিক প্রকল্পের উদ্বোধন হবে।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে মোমেন বলেন, দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সব বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে।
তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী জি টুয়েন্টি সম্মেলনের দুটি অধিবেশনে বক্তব্য দেবেন। জলবায়ু পরিবর্তন, করোনা মহামারি ও যুদ্ধের কারণে জরুরি পণ্যের নির্বিঘ্ন সরবরাহ নিয়ে বক্তব্য দেবেন তিনি।
বাংলাদেশসহ ৯টি দেশকে এই শীর্ষ সম্মেলনে ‘অতিথি দেশ’ হিসেবে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী।
সম্মেলনে যোগদানে ফাঁকে দক্ষিণ কোরিয়া, আর্জেন্টিনা ও সৌদি আরবের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বৈঠক করবেন বলে জানিয়েছে আনন্দবাজার পত্রিকা।