নিরবচ্ছিন্ন ও নিরাপদ বিদ্যুৎ সরবরাহের লক্ষ্যে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে ঢাকাসহ দেশের বড় শহরগুলোর বিদ্যুৎ সংযোগ ও সঞ্চালনের তার মাটির নিচে নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু।
বৃহস্পতিবার বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানি ডিপিডিসির ধানমন্ডি এলাকার ‘আন্ডারগ্রাউন্ড কেবলিং’ প্রকল্পের অগ্রগতি দেখতে গিয়ে তিনি একথা বলেন।
চায়না এক্সিম ব্যাংকের মাধ্যমে প্রায় ২০ হাজার কোটা টাকা ব্যয়ে চীনের প্রতিষ্ঠার টিবিইএ ডিপিডিসির পুরো বিতরণ এলাকার বিদ্যুৎ লাইন মাটির নিচে নেয়ার কাজ করছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগামী দুই বছরের মধ্যে রাজধানীর সব বিদ্যুৎ লাইন মাটির নিচে নেয়া হবে। এর ফলে দুর্ঘটনার হার কমবে। ঝড়বৃষ্টিতেও লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হবে না।
এর ফলে নিরবচ্ছিন্নভাবে মানসম্মত বিদ্যুৎ সরবরাহ সম্ভব হবে জানিয়ে তিনি বলেন, আর আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে মাটির নিচে নেয়া হবে দেশের বড় বড় শহরগুলোর বিদ্যুৎ লাইন।
প্রকল্পের আওতায় ঢাকার ধানমন্ডি ও নারায়ণগঞ্জ শহরে মাটির নীচ দিয়ে বিদ্যুতের লাইন বসানোর কাজ চলছে। ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ শহরের ১৯০ কিলোমিটার সড়কে এ কাজ করা হবে। ১ লাখ ১৫ হাজার গ্রাহক সেবা পাবেন।
পাইলটিং কাজের অংশ হিসেবে ধানমন্ডির ৩, ৬, ৭/এ, ১১/এ সড়কে বিদ্যুৎ সরবরাহের লাইন মাটির নিচে স্থাপন করা হচ্ছে। আবাসিক এ এলাকাকে চারটি ভাগে ভাগ করে কাজ করছে ডিপিডিসি।
বিদ্যুতের তার ভূগর্ভস্থ করা বিষয়ক ডিপিডিসির প্রকল্প অনুমোদন পায় ২০২০ সালে। প্রকল্পের মেয়াদ ছিল ২০২৩ সালের জুন পর্যন্ত। কিন্তু করোনাভাইরাস মহামারির কারণে স্থবির হয়ে যায় কাজ। পরে প্রকল্পের মেয়াদ বাড়িয়ে বাস্তবায়নের সময় ধরা হয়েছে ২০২৭ সাল পর্যন্ত। ব্যয় ধরা হয়েছে ২০ হাজার ৬০০ কোটি টাকা। চীন সরকারের সঙ্গে জিটুজি পদ্ধতিতে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। পাইলটিংয়ে সফলতা মিললে বড় পরিসরে কাজ করবে সরকার।