২০২৪ সালে সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজের দুটো প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে সাধারণ প্যাকেজের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ লাখ ৭৮ হাজার ৮৪০ টাকা। আর বিশেষ হজ প্যাকেজের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৯ লাখ ৩৬ হাজার ৩২০ টাকা।
বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানিয়েছেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল হক।
প্রতিমন্ত্রী জানান, ২০২৪ সালে বাংলাদেশ থেকে হজ পালনের জন্য সৌদি আরব যেতে পারবেন ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন। এর মধ্যে সরকারি কোটায় যেতে পারবেন ১০ হাজার ১৯৮ জন। এছাড়া বেসরকারি এজেন্সির মাধ্যমে হজ পালনের কোটা ১ লাখ ১৭ হাজার জন।
সরকারি সাধারণ প্যাকেজ মূল্য ৫ লাখ ৭৮ হাজার ৮৪০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সরকারিভাবে সাধারণ প্যাকেজের ব্যয় গত বছরের তুলনায় ৯২ হাজার ৪৫০ টাকা কম।
এছাড়া বিশেষ প্যাকেজের মূল্য ৯ লাখ ৩৬ হাজার ৩২০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বিশেষ হজ প্যাকেজের বৈশিষ্ট্যগুলো হলো- প্যাকেজ আপগ্রেডেশন, অতিরিক্ত অর্থ দিয়ে মক্কার হোটেলে ২ ও ৩ সিটের রুম নেয়া হবে। মক্কায় হারাম শরীফের চত্বর থেকে সর্বোচ্চ ৮০০ মিটারের মধ্যে উন্নতমানের হোটেলে থাকতে পারবেন হাজীরা।
সাথে থাকবে মদিনায় মারকাজিয়া এলাকায় আবাসন ব্যবস্থা। এক রুমে সর্বোচ্চ ৪ সিট থাকবে। মিনায় ‘এ’ ক্যাটাগরির তাঁবুতে আবাসন ও বুফে খাবার ব্যবস্থা। মিনা-আরফাহ মুজদালিফা-মিনায় যাতায়াতে প্রত্যেক হজযাত্রীর জন্য বাসে সিট নিশ্চিত করা হবে।
বিমান ভাড়া কমানোর কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, ‘বিমান ভাড়া ২ হাজার ৯৯৭ টাকা কমিয়ে এক লাখ ৯৪ হাজার ৮০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।’ তিনি জানান, ‘সরকারি মাধ্যমে সাধারণ প্যাকেজের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বেসরকারি মাধ্যমে হজ প্যাকেজ ঘোষণা করবে হজ এজেন্সিস অ্যাসোসিয়েশন (হাব)।’
আগামী বছরের পহেলা মার্চ থেকে হজের ভিসা ইস্যু করা শুরু হবে। ৯ মে থেকে শুরু হবে হজ ফ্লাইট।
২০২৩ সালে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজের খরচ ৬ লাখ ৭২ হাজার ৬১৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। তার আগের বছরে যা ছিল ৫ লাখ ২২ হাজার ৭৪৪ টাকা, সে তুলনায় খরচ বাড়ে ১ লাখ ৪৯ হাজার ৮৭৪ টাকা। এদিকে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ২০২৩ সালে হজের খরচ ৬ লাখ ৮৩ হাজার ১৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।