যুক্তরাষ্ট্রকে ‘স্যাংশনের দেশ’ হিসেবে উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, দেশটি চাইলে বাংলাদেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিতে পারে।
রোববার সচিবালয়ে এমন মন্তব্য করেন ড. মোমেন। তবে, বাংলাদেশ বাস্তবতার নিরিখেই কাজ করবে বলেও জানান তিনি।
‘মেমোরেন্ডাম অন অ্যাডভান্সিং ওয়ার্কার এমপাওয়ারমেন্ট, রাইটস অ্যান্ড হাই লেবার স্ট্যান্ডার্ডস গ্লোবালি’ শীর্ষক এক স্মারকে গত ১৬ নভেম্বর সই করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এরপরই অনেকটা আকস্মিকভাবেই ‘শ্রম অধিকার লঙ্ঘনকারীদের’ বিরুদ্ধে বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা, ভিসা বিধিনিষেধসহ শাস্তিমূলক পদক্ষেপের নির্দেশনা জারি করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।
এবিষয়ে শ্রম অধিকার লঙ্ঘন হলে যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞা দিতে পারে- যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক এ ঘোষণার বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, আমেরিকার এ অবস্থায় আসতে আড়াইশ’ বছর লেগেছে। ওনারা চান আমরাও তাদের মতো হই। কিন্তু এখনই তা সম্ভব নয়।
আমেরিকার শ্রমিক ইতিহাস টেনে ড. মোমেন বলেন, আমেরিকাতে একসময় শ্রমিকরা ক্রীতদাস ছিলো। আব্রাহাম লিংকনের সময় এটা বাদ পড়ে। এ কারণে আমেরিকায় গৃহযুদ্ধ হয়েছে। ১৯ শতকের শুরুতে আমেরিকায় প্রতিটি শ্রমিক ১৮ ঘণ্টা কাজ করতো। তারা মজুরি পেতেন মাত্র ২০ সেন্ট। সেই ইতিহাস আমরা ভুলিনি।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের অনেকগুলো দল, যারা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় তৈরি হয়নি, তারা গণতন্ত্রকে ধ্বংস করতে বিভিন্ন অজুহাত খুঁজতে শুরু করেছে।
মন্ত্রী বলেন, আমরা শ্রমিকবান্ধব সরকার, এ বিষয়ে বাংলাদেশ সতর্ক। কিন্তু পশ্চিমা দেশগুলো বলছে, শ্রমিক ইউনিয়ন বাড়াতে হবে।