প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পরামর্শে দুই টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী, এক প্রতিমন্ত্রী ও তিনজন উপদেষ্টা তাদের পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন তাদের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন।
সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে ব্রিফ্রিংয়ের সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান তিনি।
তিনি বলেন, ‘যে তিন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও তিন উপদেষ্টা পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন, তাদের ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি।’
গত ১৫ নভেম্বর দ্বাদশ জাতীয় সংসদের তফসিল ঘোষণার চারদিন পর তিন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর তিন উপদেষ্টা পদত্যাগ করেন।
এরা হলেন-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান, ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার এবং পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী শামসুল আলম।
পদত্যাগপত্র দেয়া প্রধানমন্ত্রীর তিন উপদেষ্টা হলেন- অর্থনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা মশিউর রহমান, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক উপদেষ্টা ড. গওহর রিজভী।
এর আগে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মাহবুব হোসন বলেন, পদত্যাগপত্র দিলেও তা কার্যকর করার জন্য একটা পদ্ধতি আছে, সেই প্রক্রিয়া আমরা শুরু করেছি। প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলেই তা কার্যকর হবে।
২০১৮ সালের নভেম্বরে একাদশ জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগের দিন টেকনোক্র্যাট চার মন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে বলা হয় এবং তারা পদত্যাগপত্র জমাও দেন। বাকি মন্ত্রীরা সবাই রুটিন কাজ করে গেছেন।
সেসময় যেসব মন্ত্রী পদত্যাগপত্র দিয়েছিলেন, তাদের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করা হয় এক মাস পর অর্থাৎ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরুর ঠিক আগের দিন।
এর আগে ২০১৪ সালে দশম সংসদ নির্বাচনের আগের সর্বদলীয় নির্বাচনকালীন সরকার গঠন করা হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে পুরোনো কয়েকজন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীকে বাদ দিয়ে নতুন করে ছয়জনকে যুক্ত করা হয়।
২৯ সদস্যের নির্বাচনকালীন ওই মন্ত্রিসভায় সংসদে প্রতিনিধিত্বশীল বিরোধী দল থেকেও দুইজনকে রাখা হয়। ওই মন্ত্রিসভায় যোগ দেওয়ার জন্য বিএনপিকে আমন্ত্রণ জানানো হলেও দলটি আসেনি।