রাজধানীর গোপীবাগে বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনে আগুনে নিহত চারজনের পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে, নিহতদের মধ্যে কোন শিশু নেই। আগুনে পুড়ে যাওয়া মরদেহ চেনার উপায় নেই, তাই ডিএনএ পরীক্ষার পর মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এদিকে, স্বজন হিসেবে মরদেহ হস্তান্তরের দাবি নিয়ে হাসপাতালে এসেছে চারটি পরিবার। তাদের কাছ থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে জানিয়ে চিকিৎসকরা বলেন, ডিএনএ পরীক্ষার পর নিশ্চিত হয়ে, তারপর স্বজনদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।
এদিকে শেখ হাসিনা বার্ন ইনস্টিটিউটে দগ্ধ ১০ জন এখনও চিকিৎসাধীন। তাদের মধ্যে একজন নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে আছেন। বাকি ৯ জনের মধ্যে তিনজন সুস্থ হয়ে যাওয়ায় মঙ্গলবারই ছেড়ে দেয়ার কথা রয়েছে। অন্য ছয়জনের অবস্থাও উন্নতির দিকে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক।
বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনে দুর্বৃত্তের দেওয়া আগুনে নারীসহ অন্তত চারজনের মৃত্যু হয়েছে। আগুনে ট্রেনের তিনটি বগি পুড়ে যায়। পাঁচ জানুয়ারি রাত ৯টার দিকে ট্রেনটিতে আগুন লাগার খবর পাওয়া যায়। প্রায় সোয়া একঘণ্টা চেষ্টার পর রাত ১০টা ২০ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয় ফায়ার সার্ভিস।
আগুনের পর বেনাপোল থেকে ঢাকাগামী বেনাপোল এক্সপ্রেস সাত জানুয়ারি পর্যন্ত বন্ধ রাখার ঘোষণা দেয়া হয়। একই সঙ্গে এই ট্রেনে আগুনের ঘটনায় সাত সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে বাংলাদেশ রেলওয়ে। এ ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করেছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।