ঈদ যাত্রার দ্বিতীয় দিনে যাত্রী ও যানবাহনের ঢল নেমেছে মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাটে। এদিকে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ঘাট এলাকায় নদী পাড়ে আটকা পড়েছে কোরবানির পশুভর্তি অসংখ্য যানবাহন। এতে রোদ আর গরমে মানুষের পাশাপাশি বিপর্যস্ত অবস্থা দাঁড়িয়েছে কোরবানির পশুগুলোর।
শুক্রবার (১৬ জুলাই) সকাল থেকে ঘাট দুইটিতে মানুষ ও যানবাহনের এই চাপ দেখা যায়।
শিমুলিয়া ঘাটে ৮৩টি লঞ্চে যাত্রী পারাপার ও ১২ টি ফেরিতে যানবাহন পারাপার করা হলেও প্রতিটিতেই উপেক্ষিত হচ্ছে স্বাস্থ্যবিধি। অতিরিক্ত ভাড়া ও ধারণ ক্ষমতার অর্ধেক যাত্রী নিয়ে লঞ্চ ছাড়ার কথা থাকলেও কমানো হচ্ছেনা যাত্রীর চাপ। এদিকে প্রচন্ড রোদ আর গরমে ঘাটে আটকে থাকা যাত্রীদের দুর্ভোগের পাশাপাশি ট্রাকে থাকা কোরবানির পশুগুলো নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন ব্যাবসায়ীরা।
এদিন শিমুলিয়া ঘাটে অতিরিক্ত যাত্রী উঠানোর কারণে এমভি কাওড়াকান্দি লঞ্চকে দুই হাজার টাকা অর্থ দন্ড দিয়েছে উপজেলা প্রশাসনের ভাম্যমান আদালত। আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রট লৌহজং উপজেলার সহকারী ভূমি কমিশনার কাউসার হামিদ বলেন, স্বাস্থ্যবিধি মানাতে স্বর্বাত্মক চেষ্টা চালানো হচ্ছে।
আরও পড়ুন: গ্যাস সিলিন্ডার লিকেজ: আগুনে দুই শিশুসহ পাঁচ জন দগ্ধ
এদিকে শুক্রবার সকালে দৌলতদিয়া ফেরি ঘাটের জিরো পয়েন্ট থেকে অন্তত ৪ কিলোমিটার দূরে বাংলাদেশ হ্যাচারীজ পর্যন্ত সৃষ্টি হয় যানবাহনের লম্বা সাড়ি। বেলা বাড়ার সঙ্গে বাড়ছে যানবাহনের সাড়ি।
বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাট শাখার ব্যবস্থাপক শিহাব উদ্দিন জানান, এক সাথে বিপুল সংখ্যক যানবাহন নদী পারাপার হতে আসায় দৌলতদিয়া ঘাট এলাকায় নদী পারের অপেক্ষায় যানবাহনগুলো সিরিয়ালে আটকা পড়েছে।
তিনি আরও জানান, দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে বর্তমানে ছোট-বড় ১৫ টি ফেরি চলাচল করছে। ঈদুল আযহা উপলক্ষে দু’একদিনের মধ্যে আরো দু’টি বড় ফেরি এ নৌরুটের ফেরি বহরে যুক্ত হবে। দুর্ভোগ কমাতে যাত্রীবাহি যানবাহন ও কোরবানীর পশুবাহি ট্রাকগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পারাপার করা হচ্ছে।
একাত্তর/আরএইচ