ঝিনাইদহ-১ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা, মো. আব্দুল হাইয়ের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
এক শোকবার্তায় রাষ্ট্রপতি বলেন, আব্দুল হাই ছিলেন বঙ্গবন্ধু ও আওয়ামী লীগের একজন একনিষ্ঠ কর্মী। স্থানীয় রাজনীতিতে তার অবদান মানুষ চিরদিন শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবে।
রাষ্ট্রপতি আব্দুল হাইয়ের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
পাঁচবার নির্বাচিত সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাই শনিবার সকাল ছয়টার দিকে ব্যাংককের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
গত সাত জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রায় ১৫ হাজার ভোটে জয়ী হন নৌকার প্রার্থী ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী আব্দুল হাই। এরপর গেজেট প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন।
কিন্তু ভোটের প্রায় একমাস পর ভোটগ্রহণ ও ভোট গণনায় অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগে ঝিনাইদহ-১ আসনের এমপি পদের গেজেট স্থগিত চেয়ে ইলেকশন পিটিশন দায়ের করেন ওই আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী নজরুল ইসলাম (দুলাল বিশ্বাস)।
এরপর আব্দুল হাইকে বিজয়ী ঘোষণা করে দেয়া ইসির গেজেট স্থগিত করেন হাইকোর্ট।
২০০১ সাল থেকে নৌকা প্রতীকে টানা পঞ্চমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন মো. আব্দুল হাই। মাঝে কিছুদিন তিনি মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ প্রতিমন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
পরাজিত স্বতন্ত্র প্রার্থীর আবেদনে বলা হয়, কেন্দ্রভিত্তিক ফলে স্বতন্ত্র প্রার্থী নজরুল ইসলামকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। কিন্তু আসনের সামগ্রিক ফলে নৌকার প্রার্থী আব্দুল হাইকে বিজয়ী ঘোষণা করে ঝিনাইদহের রিটার্নিং কর্মকর্তা।
৭১ বছর বয়সী আব্দুল হাই স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক মেয়ে রেখে গেছেন।